মেজর ডালিম এর ঐতিহাসিক সাক্ষাৎকার: পুরোপুরিভাবে অর্জন করার পর, তাদের এমন একটা অবস্থানে থাকতে হবে, যেখান থেকে তারা নীতি নির্ধারণ করতে পারে। তাদের যে ইচ্ছা, চাহিদা, প্রত্যাশা, যার সাথে জনগণের প্রত্যাশা এবং চাহিদার মিল রয়েছে, সেটার বাস্তবায়ন করার দায়িত্বটাও কিন্তু তাদের নিজেদেরই করতে হবে। তাদের দায়িত্ব অন্য কোনো মানুষ এসে করে দেবে না। যে বিপ্লবের বিপ্লবী এবং যে লক্ষ্য, সেই লক্ষ্য একমাত্র বিপ্লবীরাই সাজাতে এবং অর্জন করতে পারে।
সেজন্য, তোমাদেরকে এখনই ঘুমিয়ে পড়ার সময় নয়। ঘুমিয়ে পড়লে চলবে না; সজাগ থাকতে হবে। আগামী দিনের যত কঠিন সংগ্রামই হোক, শীর্ষগ্রহণ সংগ্রামে আল্লাহর উপর ভরসা করে তোমাদের যুদ্ধে ময়দানে পাথরের মতো, ইস্পাতের মতো, লোহুর মতো কঠিন প্রত্যয় নিয়ে দাঁড়াতে হবে। বলতে হবে, “আমরা এই সংগ্রামে জিতবোই, বিপ্লবকে সফল করবো।”
জনগণ এবং তোমাদের আশা ও কামনা হলো একটি সুখী, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এই ভারতের সম্প্রসারণবাদী হিন্দুত্ববাদী ভারতের কব্জায় আমরা প্রায় চলে গিয়েছি। সেই অবস্থান থেকে, ১৯৭১ সালের মতো আরেকটি স্বাধীনতা আমাদের অর্জন করতে হবে। তা না হলে তোমাদের বিপ্লব ব্যর্থ হবে।
মেজর ডালিম এর সাক্ষাৎকার
আমি (মেজর ডালিম) এর বেশি কিছু আর বলতে চাই না। স্যার, সরকারি মানুষের কাছে মানুষের এই ৫০ বছর ধরে যে প্রশ্নটা করার জন্য অপেক্ষা করছে, আমি মনে করি, “১৯৭৫ কেন হয়েছিল, স্যার?”
পঁচাত্তরে তোমার বয়স কত ছিল, আমি জানি না। তবে আমার জন্ম হয়নি, স্যার। কিন্তু পঁচাত্তরে যে মুজিব মুজিব, ১৯৭২ সালের রিলেশন সময় এবং বাহাত্তরের আগে, মানে একাত্তরের মুক্তির সংগ্রাম শুরুর আগে, তার চরিত্র ছিল ভিন্ন প্রকৃতির। তিনি বাঙালি জাতীয়তাবাদের সংগ্রামে অবদান রেখেছিলেন।
কিন্তু পাকিস্তান আর্মি যখন ২৫ ও ২৬ তারিখ রাতে নিরীহ বাঙালিদের উপর সন্ত্রাস চালায়, তখন লক্ষ লক্ষ শিশু, নারী, পুরুষ তাদের জীবন হারায়। কোনো কারণ ছাড়াই, সেই সময়ে দেশের তথাকথিত বড় বড় নেতারা নিজেদের জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে যান।
মুজিব স্বয়ং পাকিস্তান আর্মির কাছে ধরা দেন এবং তাদের সাথে একটি চুক্তি করেন, যার মাধ্যমে তার পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব তাদের হাতে তুলে দেন। তখন দেশের মানুষ বুঝতে পারছিল না, কী করবে, কোথায় যাবে, কীভাবে নিজেদের প্রাণ বাঁচাবে।
আরও পড়ুনঃ পিলখানা হত্যাযজ্ঞ যেভাবে কারণে ঘটানো হয়
সেই সময় চিটাগং থেকে ভেসে আসলো মেজর গিয়া স্বাধীন দাতা। আমি তখন পার্কে যাবো, পার্কে যাবো চাকরির দল। সেই ডাকে লোক, দেশের লোক একটা আলোর রশ্মি দেখল যে, হ্যাঁ, আমাদেরকে যুদ্ধে, আমাদেরকে এইভাবে মরণের হাত থেকে বাঁচার জন্য আমাদেরকে যুদ্ধ করতে হবে।
সিম্পল ইজরাইল, ১ সমুদ্র দেশে, সর্ব পরিচয়ে লোক বিদ্রোহী। সেই মুক্তিযুদ্ধ সংগ্রামে ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা গড়ে তুলতে, আমরা ওখানে বসে থাকব না। যারা পেরেছি, যাদের সাহস ছিল, যাদের দেশপ্রেম ছিল, যারা পাকিস্তানের আর্মি এবং যান্তাদের নির্যাতন, নিপীড়ন, বৈষম্যমূলক আচরণের বিরুদ্ধে জানত, তারা তারাও সেই সংগ্রামে যোগ দেন। অনেকেই এসে পালিয়ে এসে, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।
আমি কেন তাদের মধ্যে সর্বপ্রথম গ্রুপ বিদায় দিয়ে, আরো দুজন আমার সাথে নিয়ে এসেছি। যুদ্ধে যোগ দিই। কোন বিবেকবান বাঙালি তখন যারা পাকিস্তানের চাকরি করতেন, তাদের বুকে নিশ্চুপ বসে থাকা সম্ভব ছিল না। তবে এটাও ঠিক, অনেকেই ঠিক বুঝতে পারছিল না, যে কি হচ্ছেটা। কোন খবর নাই, টিভিতে আধান প্রধান নাই, কোন রকম সংযোগ নাই, বিদেশি মিডিয়া, ওয়াইফাই, আমেরিকা।
তারপর বিবিধ রেডিও অস্ট্রেলিয়া, রেডিও ইন্ডিয়া, এসব থেকে যা কিছু জানা যাচ্ছিলো, তা সম্পূর্ণ বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। তারা তাদের মতো করে বলছিল, বলতে থাকি, এবং আমরা শুনতে থাকি। তাই অনেকেই ঝুঁকি নিতে রাজি হন। আর একটা সমস্যা ছিল, অনেকেই পরিবারসহকারে থাকতেন, পুষ্টিকর এবং বউ-বাচ্চা নিয়ে তো আর পালিয়ে যাওয়া সম্ভব না, আমার পক্ষে।
কিন্তু আমরা ছিলাম, আমি (মেজর ডালিম) ছিলাম তখন ব্যাচেলর। আমার সাথে যে দুজন সাহসী সহযোদ্ধা চলে আসেন, তারা ছিলেন কনডম চৌধুরী। তখন বুঝতে পেরেছেন, আর ইয়াস্তানের মতিউর রহমান পরে, দুজনেই কনটেন্ট এবং রাষ্ট্রীয়। একজন মানে নুর রাষ্ট্রীয়। আমরা চলে আসি, এসে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করি।
তাতে আমরা তিনজনই ছিলাম পেশালাইয়ের ব্যবস্থা। পেশালাইয়ের আওয়াজটার মধ্যে বুঝা যায় যে, যাদের কমন সেন্স থাকে, প্রেসার লাইফ ওয়ার্ল্ডের উপরে জ্ঞান থাকে, এবং যারা, যাদের ইন্টারেস্টিং অপারেশন কিভাবে বিশ্বজুড়ে চলে এসে পড়ে জ্ঞান, তাদের অভিযান থাকে। অভিজ্ঞতা চক্রবর্তী করেন বিভিন্ন মাধ্যমে।
তাই আমরা কেন তিনজনই সেই ধরনের অবস্থানে ছিলাম। তাই আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আল্লাহর নাম নিয়ে বেরিয়ে পড়ি এবং অতি সহজেই দিল্লি পর্যন্ত পরিচিত। এবং সেখান থেকে আমাদেরকে রিসিভ করা হয়, ডিপ্লিজ হয় মুখ্যসচিব, প্রাইভেট কার। ১ ইঞ্চি আজাব বাংলাদেশ উঠে, “আপনারা আমাদেরকে রিসিভ করেন”।

তারপর অনেক আলাপ-আলোচনা, কিছুদিন ট্রেনিং, বিফিং, পরে আমাদেরকে মুজিব নবাব সরকারের সাথে।
নির্মাণ করে দেওয়া হয় এবং আমাদেরকে দিল্লি থেকে নিয়ে আসার জন্য জেনারেশনের প্রধান মন্ত্রী মূর্তিপদ, জনাব কাজ উদ্দিন প্রাইম মিনিস্টার দি অভিনেতা কার্নেট শাদ্ধ হন চুক্তি করার পর। আর ফর ইউ মিস্টার খন্দকার মুস্তাকামুদ, যিনি আমার বাবার ক্লাশ নাই, তারা আসেন দিল্লিতে এসে। এখন তাদেরকে ফরমালিয়া, আমাদেরকে হ্যান্ডেল করে দেয়া হয়।
তারপর আমাদের তিনজনের মধ্যে দুজনকে, আমাকে এবং মতিকে, অ্যাপয়েন্ট করা হয় গ্যারিলা ১০০০ তিরিশেরটা কমানোর মানে এগারোটা সেক্টরে মুক্তিযোদ্ধাদের রিকুয়েস্ট করা, তাদের ট্রেন করা, তাদেরকে ইনডাক্ট করা, অপারেশন করানো—সব দায়িত্ব পড়ে আমাদের দুজনের উপর। আমরা এই এগারোটা টিকটককে ভাগ করে নিই। আর নুর বিএনপির নেয়ামত ওসমানী সাহেব, ওনাকে তার পার্সোনাল ট্রাম্প অফার হিসেবে মজবুত সরকারের যে এ কথা ছিল মুক্তিযোদ্ধা এবং শেষ পর্যায়ে।
কিছু দিনের জন্য নুর অনেকটা জোতার সাথেই উৎপানির সাথে আলাপ করে, ফাস্ট বেঙ্গলে চলে যায় এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে এভাবে অংশগ্রহণ করে। সে ও আঘাতপ্রাপ্ত, মানে কেউ যদি ইঞ্জয়ড হয়, একটা তাকে অপারেশনের এবং তাকে বীরভূম খিদার দেওয়া হয়। আর আমি (মেজর ডালিম) যুদ্ধের সময় ৩-৪ বার আহত হয়েছি, তার একটা নিজস্ব নামায় দেখো। হাতের অবস্থা এখানে সেটিং এ সব বাদ দেন, এখন থেকেই।
তারপর সেনাবাহিনী গঠন করা, বাংলাদেশ বিলকিরি একাডেমিক ফাপন করা, প্রীতি স্কুল মানে বিক্ষোভ মিঙ্গেল আর্মির যে পাঁচটা ব্রিগেডের দায়িত্বে গিয়েছিল, ব্রিজ এই ব্রিগেট পার্টটার এবং বিমান বাহিনীর জন্য রিক্রপ পিন্টার ইনচার্জ ছিলেন, যাবতীয় টিউব হট্ট্যাব জিয়াউর রহমান। যদিও তিনি কিনে এনেছিলেন, তা কিন্তু বানাইনি, তাকে তো কাজে কর্মের বাইরে বের করে দিতে, কিন্তু পারেনি।
আমাদের জন্যই পারে নি, আচ্ছা যাই হোক, ওনার তাপমাত্রা হিসাবে দায়িত্ব পড়ে আমার উপর। আমি (মেজর ডালিম) একাই, আমার অন্যান্য সহযোদ্ধা কমান্ডারদের নিত্য পরাণ পাখি যেতো। আমি প্রায় ২৫,০০০ প্রাক্তন মুক্তিযোদ্ধা যারা আমাদের আন্দোলনের চাকরি করেছে, মানে যুদ্ধ করেছে, তার থেকে আমি আর্মিকে এয়ারপোর্টে মানে ডিটেলস ফোর্তে মে বি ইনপুটের নিয়ম রিসোর্ট করি। তারপর চাকরি করতে থাকে, চাকরি চলতে থাকে।
এই হচ্ছে আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামের ছোট্ট তৃণমূল। বলো, এরপরে আর কি জানতে চাও? দুঃখিত, না এরপরের যেই আমার মূল প্রশ্নটা ছিল যে, কোন পরিস্থিতিতে পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্ট হল। খুবই স্পর্শকারীর প্রশ্ন হইলো, নিজের বাধ্য নিজে বাজানো অনেক সময় ঠিক হয় না, কিন্তু তুমি যখন প্রশ্ন করেই বসলে, স্যার, স্যার, স্যার।
এই আমার ইউটিউব চ্যানেলে আজকে প্রায় ৫ বছর হলো ভিডিও লাইভ করি, প্যাকেজ দেই, সোফায়ার ইরি মেম্বার আমার সবচেয়ে বেশি একসাথে ভিউয়ার্স ছিলো সম্ভবত ২০ বা ২৫,০০০। আমি (মেজর ডালিম) মাত্র খেয়াল করলাম, এই মুহূর্তে ১৭০,০০০ মানুষ।
এটি টাইমে ওয়াচিং হওয়ার ভিডিও, এটা তো তোমার। আমি একজন, আমি, আমি এই জন্যই বললাম যে আপনার নিজের ঢোল আপনি যেটা মানে বাজানোর কথা বলছেন, আপনি তো বাজান নাই, ৫০ বছর চুপ ছিলেন। যেই স্বাধীনতা আপনারা এনে দিয়ে গিয়েছেন, সেই স্বাধীনতা না আসলে তো আজকের শেখ হাসিনা যে অবস্থায় দেশকে নিয়ে গিয়েছিল, সেই পঁচাত্তরের পরে আর হয়তো দু ১ বছর লাগতো শেখ মুজিবের সেখানে নিয়ে যেতে।
তো আমাদেরকে যে উদ্ধার করে দিয়ে গিয়েছেন, এই কৃতজ্ঞতা বোধটা বাঙালি জাতির নেই। যে কারণে আজকে মেজর শরিফুল হোক ডালিম, বাংলাদেশের মাটিতে নেই, অথচ আপনাদেরকে সর্বোচ্চ সম্মাননা দিয়ে আমাদের দেশে রাখা দরকার ছিল, সে সম্মানটুকু আমরা দেখাতে পারি নাই বলেই মাঝেমধ্যে আবার দু হাজার ২৪ আসে।
তো আপনি, ওইটা নিয়ে আমার মনে হয়, দেরি তো অবশ্যই হয়েছে, কিন্তু আমাদের জানা উচিত, এই জাতি প্রতিটা মানুষ জানতে চায় কি হয়েছিল পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট। প্রথম কথাটা হচ্ছে, যে পনেরোই আগ্র, কিন্তু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটা সূত্রপাত হয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন অবস্থায়। আমরা বুঝতে পেরেছিলাম, যে বাংলাদেশের মুক্তির যুদ্ধটা একচুয়ালি কাদের ইনভেস্ট হচ্ছে।
এটা কি আমাদের যুদ্ধ হচ্ছে, যে আমরা আমাদের যুদ্ধ করে স্বাধীন করবো, নাকি এটা পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য কাজ করছে? যখন ৭ দফাতে চুক্তি করে নজরুল ইসলাম আর তাজবিহকে পারমিশন দেওয়া হলো, যে এটা তো একদম একটা দাস খ্যাত, যে আমরা সমান ৯ ভারতের একটা খরগোশ রাজ্য, তারপর একটা অঙ্গ রাজ্য হিসেবে পরিণত করবো, পরিণত হবে বাংলাদেশ, তবুও বাংলাদেশ আর ওই জয়েন্ট ডিগ্রেশন ব্রিটেইন ওসমানী এন্ড জেনারেশনের মানুষরাও।
জয়ন্ত মান স্যাক্রিফাইস করার পর কথা ছিল, জেলার উসবানি অর বিহাব, সহায়ক শক্তি হিসাবে, সহায়ক শক্তির কমিউনিটি হিসাবে, ইন্ডিয়ার সার্ভিসিং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বাইদি। কিন্তু, সেটা করতে দেওয়া হলো না। ষোলই ডিসেম্বরের যে সায়েন্টাস্টের মত, হলো রেস্ট করতে, সেখানে পরিষ্কার বাংলাদেশের জনগণ দেখতে পেল, যে পাকিস্তান আর্মি হারলে করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীরা, এবং সেখানে সাইন করছেন আরোরা ভারতীয় বাহিনীর পক্ষে।
আর ওদিকে নিহাজি পার্টির পক্ষে, সেখানে মুক্তিযোদ্ধারা কোথায়? আমরা পরে থাকলাম ঝাড়ুদার হিসেবে, ইন্ডিয়ান আর্মির রাস্তা পরিষ্কার করে দেওয়ার পথে বনেবাদাড়ে। আমাদেরকে কোন স্বর গঞ্জে এই ঢোকার পারমিশন দিল না মুজিব সরকার, আমাদের কাজে দেবে সরকার আওয়ামী লীগ সরকার।
সেই অবস্থায়, কি প্রমানিত এটা? এই ঘটনায় কি প্রমানিত হবে? ইন্ডিয়া প্রমাণ করলো, বিশ্বে সারাবিশ্বে, যে বাংলাদেশ এই জনগণ নিজেরা যুদ্ধ করে দেশ পালন করেনি, বাংলাদেশ নামক একটি রাষ্ট্র তুমি চৌধুরী জন্মদায় হয়েছে, এইটা হলো ইতিহাসের শুরু। তারপর, মুজিবকে যখন ছাড়া হলো, সে তো কিছুই জানতো না যে দেশ স্বাধীন হয়েছে, কোনো মুক্তিযোদ্ধা লেকচার ছিল, হাজার হাজার লোক দেখছে যে পান হয়ে কিছু আনছে।
সে তাকে যখন ছেড়ে দেওয়া হলো, তখন এনজয় আঘাত দেই তাকে, পাকিস্তানে, হুন করে হুন করে বলল যে ফোন ফোন করল মুজিব, ফোন করে বলল যে আমি (মেজর ডালিম) দেশে ফিরে যাচ্ছি। তখন ইঞ্জেকশন দে, যাওয়ার আগে, যাওয়ার আগে আপনার সাথে দেখা করে, আমি আপনাকে একটু কথা জানতে চাই।
তো তখন ইঞ্জিনিয়ারিং যে বলল, কিসের উত্তর তো জানাবেন? আপনি ফোন না করলে, আমি আপনি একটু ফোন করবেন আপনাকে ঢাকায়। আপনি যাবেন না, আপনি ৯ দিল্লি হয়ে যেতে হবে। মুজিব সেটাই করলেন, তিনি চলে গেলেন নয়া দিল্লি, লন্ডন হয়ে।
সেখানে কি হলো? যেই ৭ দফা চুক্তিতে ফাইন করার পর, প্রবাস সেহেতু গঠন করেছিলো তাজবিহ আর নজরুল ইসলাম। সেই আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে ক্ষমতা গ্রহণ করলো, হান্ড্রেডের পর। ঐ সাধ্য সাহিত্যিক এবং সেই সাধ্য মোতায়েন মুজিব স্বাক্ষর দেওয়ার পর, ফিরে গিয়ে তিনি ক্ষমতা নিজে হাতে নিন। কোন নির্বাচন নাই কিছু নাই, ওই সত্তরের নির্বাচন এর সুবাদে, তারা ইন্ডিয়ার চারতম্ভের তম্ব্য, দু ক্রিকেট, বাংলাদেশী ইম্পর্ট্যান্ট করে, তার ওপরে একটা সম্বোধন বানাল।
কবুহু ১, শুধু তাই না, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যাকে নিয়ে আমরা নাচানাচি করি এবং অনেকের মানে ভেসে যায় আতঙ্ক হয়ে যায় আবেগে, এই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একজন ইন্ডিয়ান নাগরিক এবং ইন্ডিয়ার জাতীয় সংগীত আমাদের দেশে। তার চেয়েও প্রতিবেদন প্রতিবন্ধী কবি কবি কাজী নজরুল সংগীত থাকা সত্ত্বেও, আমরা সেই ভারী নাগরিকের একটা গানকে আমাদের জাতীয় প্রেতাপে দেওয়া হলো জাতীয় সংগীত। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন কোন নদী, আর দ্বিতীয়টা আসতে বলে আমার মনে, আমি মনে করি না।
কেন, কোন বাংলাদেশ, বাংলার চেয়ে বাংলাদেশ যদি নজরুল ইসলামকে আমরা জাতীয় কবি আখ্যা দিয়ে থাকি, তাহলে নজরুল ইসলাম কেন হলো না, বা অন্য কারো গান হতে পারতো জাতীয় সংগীত? ভালো ভালো কবি সাহিত্যিক ছিলেন আমাদের দেশে। কিন্তু পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও নাই, যে বিদেশে ১ নাগরিক যে নাকি তার দেশের জাতীয় সংগীত রচনা করেছে, এবং আমাদের শুদ্ধ স্বাধীন বাংলাদেশে এসেও, আমাদের জাতীয় সংগীত রকিদানি সৃষ্টি করানো করলো ইন্ডিয়া।
তারা বাংলাদেশের স্বাভাবিক বাহিনীকে দুর্বল করে, একটা দামে মাত্র সামরিক ব্র্যান্ডী হাতে লন্ডন করে টনটন, এই ধরণের একটা সেনাবাহিনী রাখবে। আর কারণ একটা সেনাবাহিনী তো রাখতেই হবে, যে কোন জাতির মেরুদন্ড পুত্রের সেনাবাহিনী। ওই হাতে লঞ্চন করে টনটন, আর আসলে তার চেয়ে অনেক শক্তিশালী একটা বাহিনী গঠন করলো ইন্ডিয়া।
স্যার, ওই যে আত ৭ দফাটা, আমরা তো ইতিহাস পড়ে, আমরা তো আসলে সাক্ষী না, আমরা পড়ে মানুষকে জানানোর চেষ্টা করেছি। আপনার স্মরণ আছে ৭ দফাটার কথা কি কি ছিল? ওই দফায় যদি কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা যদি মনে রাখেন? দেখো, আমি (মেজর ডালিম) না ভাই, আমি তো, অ্যাকচুয়ালি সাতদিন ধরে একদম টোটো এগুলো আমার বইতে লেখা আছে। এটা আমি জিজ্ঞেস করলাম স্যার, কারণ হচ্ছে মানে আপনি লিমিটেড করতে পারবেন না স্যার, সেনাবাহিনীর সাথে আপনি মানলে করতে পারবেন না স্যার।
আমি আমার পক্ষে হয়তো এখন রিটায়ার্ড করা আছে, জেলখানা থেকে আরও আমার মত অনেক কিছু খেলা করে। জ্বী স্যার, ০০:০২ দিদিকে বলছি, যেমন ধরো, মুজিবের মুজিব এবং তার সরকার থেকে প্রটেকশন দেওয়ার জন্য, ইন্ডিয়ান আর্মি অবস্থান করবে বাংলাদেশে, বাংলাদেশে। কোন শক্তিশালী সাবেক বাহিনী গহিত হবে না, বাংলাদেশের কোন স্বাধীন বৈচিত্র্য থাকবে না, বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা।
আমলাতন্ত্র, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, শিল্প ব্যবস্থা, কৃষি ব্যবস্থা—সবকিছুই চলবে ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের ইচ্ছা মতো। মুজিব বিরোধী কোন মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা হবে না, তার জন্য যত লোক মারা দরকার, মারা হবে। যত লোককে ল্যাংড়া করা হবে, চক্ষু তুলে নেওয়া হবে, মেয়েদের লুটন করা হবে, কোনো সমস্যা নেই। এইভাবে প্রতিপক্ষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ায় ৪০ হাজারেরও বেশি লোক মারা গেছে, সেটা সবাই জানে, প্রতিপক্ষের থেকে আসছে।
তারপর, আমরা একটা করন্ত রাজ্যে পরিণত হয়ে গেলাম। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল যে বাংলাদেশের মাটিতে যদি পাট ইয়ে ইন্ডিয়ান কেউ যদি অবস্থান নেয়, তাহলে বিদেশ থেকে কোনরকম দেশি বাংলাদেশিরে স্বীকৃতি দিতে রাজি না, কারণ পাকিস্তানি ইতিমধ্যে স্বীকৃতি কাঞ্চন থেকে একটা আইন পাস করেনই নিল যে বাংলাদেশে কে নিয়ন্ত্রণ করতে ভারত তাদের শ্রাবণীর মাধ্যমে, মুজিব সরকারের মাধ্যমে। অতএব, এটা একটা ডিসট্রিকের তেলেতে, এটা একটা স্বাধীন দেশ ৯।
আরও জানুনঃ ভারত বাংলাদেশের চেয়ে কতটা শক্তিশালী
তাই আপনারা স্বাধীন কিভাবে লাইট ধুবেন ভিডিও সরকারকে। এরপর, এই বা এই অবস্থায় ইনজয় এমনি পড়ল মন্ত্রণালয়। তখন তো ইন্ডিয়ান সরকার রিচার্জ করল যে ঠিক আছে, আমাদের সংযু দা আর আমরা নিয়ত ফেরত নিয়ে আসব। তার পরিবর্তে আমরা জাতীয় রক্ষিতা নিবানি, তাই করা হলো।
তো যে কাজটা ইন্ডিয়ান আর্মি করছিল, সেটা পরে জাতীয় রকি মানি করলো। আর কি ধরনের অত্যাচার, অবিচার, কি ধরনের মানে হত্যাযোগ্য গুম খুন এবং অনাচার অবিচার মুজিব সরকার করছিল, সেটা ক্ষতি আন্তর্জাতিক তুমি আমার থেকে ভালো জানবে। অনেকে এই বিষয়ে লিখেছেন, সাহসী যারা, তাদের প্রয়োজনে আমিও কিছুটা লিখেছি।
সেইখানেই শেষ হলো না। তারপর, দেখা গেল যে সেই সুতিকার সুতি গাই গাজর থেকে, মুজিব কায়েম করলেন ১ দলীয় ১ নায়কত্ব, সুইজার সদর বাসা, এবং নিজেকে তিনি আজীবন ডাক্তার দেখিয়ে দেবেন সিদ্ধান্ত নাও। এই বাকশালের মেম্বার সবাই, সেই বাকশাল করার পর, মুজিবের শক্তি বেড়ে গেল, তার নিষ্ঠুরতা এমন অস্বীকার অশ্লীল পর্যায়ে চলে গেল ইন্ডিয়ায়।
লুটপাট, মাধ্যম চূড়া কেলান, তা নকল টাকা থাপানো ভারত থেকে, এই সমস্ত মানে একটা আমাদের বস্তুতই এমন অবস্থায় গিয়ে থাকলো, যে মানুষ, যে মানুষ একদিন মুজিবের জন্য দোয়া করতে করেছিল, “ইয়া আল্লাহ, আমাদের এই মুজিব আমাদের চোখের মধ্যে, আমাদের বাঁচাবে, দেশকে স্বাধীন করবে, বাঙ্গালীদের নাগ্য অধিকার আদায় করবে।”
সেই মুজিবের জন্য লোকজন আল্লাহর কাছে দোয়া চাচ্ছিল, “যে আল্লাহ আমাদের আজেদ্দে, নমরুদের হাত থেকে আযান দেয়, আমরাতো শেষ মরে যাচ্ছি, কোথাও কোনো কেউ নেই প্রতিবাদ করার।” এগুলো আমরা যারা সেনাবাহিনীর তৃষ্ণা হচ্ছিলাম, যারা দেশপ্রেমিক যুদ্ধ, তারা ঠিক মেনে নিতে পারেনি, কেউ তারা মেনে নিতে পারেনি জানের। জান তাদের অবৈধ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তাদের নেতৃত্বে সংঘটিত হয়।
একটা সেনাদ্রিতি, অনেকে বলে, মুজিবকে মারা হলো কেন? মুজিব তো মারা যায় নাই, মুজিব দিয়েও তো হয়েছে। একটা সেনা, অবভিয়াসলি মাঠ ঘটাকালে, সেনা অবভূতন্ত আর খালি হাতে মার্বেল খেলা না। ওখানে ২ পক্ষ থেকেই গোলামীলি হয় এবং হতাহতে হয় ২ পক্ষে। যেমন মজিবরের পক্ষের লোক মারা গেল, কিভাবে বিপ্লবীদের সেনাবদ্দিনকারী বিপ্লবীদের তরফ থেকে অনেক কিছু লোক প্রাণ হারায়, এটাই বাস্তবতা।
কিন্তু তারা বিজি হয়ে গেলো, মৃত্যুর খবর জানতে জানার পর আর বাকশালের পতনের খবর জানার পর লাখো লাখো লোক মানে দেশের রাস্তার ঘাট, গণ, সব বন্দনগর গ্রাম, সবাই আনন্দ মিছিল বের করল। আমরা তো এই সমস্ত লোকজনকে ডেকে নিয়ে আসি, সতত ফুর্তভাবে লোকজন। আর যে সমুদ্র রাজনৈতিক নেতা বা দলগুলো আন্ডারগ্রাউন্ড ছিল, তারাও ২ জন সমর্থন নিয়ে রাস্তায় চলে আসে।
এভাবেই জনসংখ্যাই পেয়েছিলো পল্লীগ্যার্থে বুদ্ধিজীবী সামরিক যোদ্ধা এবং পরবর্তীতে খাদ্য সাহেবের প্রতিক্রিয়াশীল কুচকুচে কুচকুচে ২ নেতার বিরুদ্ধে ঘটা দেবেন তন্ময়, কি করে জনতা গিছিল, এগুলো সব একই সুত্রা গাঁথা। তো আমি (মেজর ডালিম) বলব, যে আমাদের ফাস্ট্রেল পাবলিক ছিল, ট্রান্সলেট পুলিশের পর্যটকী পাবলিক ছিল, একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ, তারই ধারে বাহির কোথায় হয়েছে, ৭৫ কাগজ বিপ্লব, তারই ধারাবাহিকের থার্টি পাবলিক হয়েছে, উনিশশো ২৪ সালের ছাত্র জনতার গৌরব।
এখন, যেহেতু আমি বলেছি যে সম্পূর্ণ বিজয় আমাদের এখনো অর্জিত হয়নি, চলমান বিপ্লবের গতি ধারায় সংগঠিত হবে চতুর্থ ওই পাবলিক মানে চতুর্থ বিক্রয়। আমি (মেজর ডালিম)এবং আমার সাথী ভাইয়েরা যারা এখনো বেঁচে আছেন, কি অবস্থাতেই আছে, আমরা যদি আমাদের বর্তমান প্রজন্মের বিপ্লবীদের ছাত্র যন্ত্রনা, তাদের বিপ্লবী কর্মকাণ্ড কাণ্ডে কোনরকম আবেদন রাখতে পারি আমাদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা যোগাযোগ থেকে, তাহলে আমরা সে সেটা করতে প্রস্তুত।
পৃষ্ঠা হবো না, ইনশাআল্লাহ। এবং আমরা তাদেরকে শ্রদ্ধা, সালাম এবং বিপ্লবী সালাম সাথে মন থেকে দোয়া করছি, যে তাদের বিপ্লব যাতে ব্যর্থ না হয়, তারা যাতে বিজয় সংঘটিত করে, বিজয় বিজয় অর্জন করে, তারা এতে একটা সুখী সমৃদ্ধ শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়ে তুলে তাকে দুর্জয় ঘাট হিসেবে হাটুত করতে পারে। এই আমার বুকে।
আচ্ছা, আমার একটা কোশ্চেন ধরেন, আপনি যে বিপ্লবের কথা বললেন, ধরেন চব্বিশের বিপ্লবের যারা নেতৃত্ব দিয়েছে, তারাও আমার এখানে কথা বলেছেন, আপনার লাইভে এই মুহূর্তে সাড়ে ৪০০০০০ মানুষ দেখছে, এবং আমি (মেজর ডালিম) কমেন্টগুলো পড়ছিলাম, বোঝার চেষ্টা করছিলাম যে আসলে কি। আমার মনে হয়, এ পর্যন্ত কয়েক লাখ কমেন্টের মধ্যে বোধয় দশটা কমেন্ট পড়েছে, আপনার আপনাকে গালি দিয়েছে বা আমাকে গালি দিয়েছে। এত জনপ্রিয় একজন মানুষ আপনি, দেশ থেকে চলে যেতে হলো কেন স্যার? সে কাহিনীতে, সে কাহিনীতে, এই মুহূর্তে যাওয়া।
উনি কোরআন শপথ নিয়ে আমাদের সাথে কাজ করতে রাজি হচ্ছিলেন, কিন্তু পরবর্তী পর্যায়ে তিনি তার নিয়ত থেকে সরে আসেন। তার জন্য তো আমরা দায়ী না, উনি দায়ী এবং যদি ভালো করে থাকেন, সেটা প্রাপ্য তিনি হয়তো পেয়েছেন। যদি খারাপ করে থাকেন, সেটা আমাদের সাথে না চলতে, না চলাই যদি তার কিছু খারাপ হয়ে থাকে, তার জন্য আমরা দায়ী। তবে হ্যাঁ, একটা সময় উনি যখন আমি (মেজর ডালিম) তখন চিনেছিলাম, রাত্রি তিনি আমার বাবা কিন্তু জিয়াউর রহমানের ক্যাবিনেটের টিনিয়ার মিনিস্টার পদে নিযুক্ত ছিলেন, কারণ আমার বাবা মনে করতেন যে আমরা রিয়েল আমার সব ১।
কিন্তু উনি ভেতরে কখনো জানতাম না, যে রাবণ যখন দেখল যে তার তিনি সেনা পরিহিসে দের প্রায় ৪০০০ লোককে মেরে ফেলেছে, তার ক্ষমতাকে কিন্তু উৎসাহিত করার জন্য আমরা উনার কর। তারপরে যখন তিনি দেখলেন যে তার অবস্থা খুব খারাপ, ভেতরে খবর তো সাজুন জন্ম দিন দেখে না সাজুন জন্ম দিন দেখতে, জিয়াউর রহমান তারমানে বেগুন গঞ্জি কাঁধে কোদাল বসে আছেন। এইসমস্ত, কিন্তু ভেতরে যে কি হচ্ছিল, আসল ক্ষমতা কেন্দ্রে সে সম্পর্কে সাধন জানানোর মত জানানো কোন টুথ ছিল না, তারা জানতাম না।
সেখানে তার অবস্থা ছিল নরমাল, কারণ ওইখানে তিনি ডিভাইডেন রুল নীতি প্রয়োগ করেছিলেন, যেটা খুবই ০০:৭২ হুমকি ছিলো তার জন্য, তিনি হাঁটু বুঝতে পারেন নাই। তিনি যখন রাত্রে শহরে আসেন, আমার বাবাকে ডিভোর্স পেপারে ডেলিগেশন করে নিয়ে আসলে, আবার আমাকে বললেন যে মেয়েটার খলগেটের ফৌজি, তোমরা আমাদের পাশে আছো তারা। আমরা বললাম তো এটা আপনার পক্ষে, আপনি বললেন যে আমি কি তা তো কিন্তু।
আমার মনে হয় আমাদের প্রতিষ্ঠিত সম্ভব, কারণ এর জন্য সম্ভব না। আপনি আমাদের সকলেরদের রক্তে, যে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছেন, সেই রক্ত বাড়িয়ে আপনার পাশে যদি গিয়ে দাঁড়ায়, প্রথম গুলিটা আমাকে দিতে হবে, মুনাফিক। স্যার, আমি (মেজর ডালিম) আপনকে বাঁচাবো বা আমরাই বা আপনাকে বাজাবো, কে আপনি তো আপনি বন্ধ করে দিয়েছেন স্যার। এটা কত সালে স্যার? এটাও যে জিয়াউর রহমান কোনখানে গিয়েছিলেন, মনে হয় ৮১। ওই যে, ওনার একটাই রাষ্ট্রপতি ছিল টিনে, তুমি দেখে নিতে পারো আমার বইতে লেখা আছে।
আচ্ছা, সেভেন টি সেভেন আপ, এই যে আমাদের আমার কি ডায়লগ হয়েছে, ওয়ান টু ওয়ান, যেটার মধ্যে আর কেউ উপস্থিত ছিল না, পাশের ঘরে অবশ্য বেগম সাহেবা ছিলেন। তো স্যার, আরেকটা জিনিস পরিষ্কার হয়েছে, আর আপনি কি একটা বলছিলেন যে কোরআন শপথ করা হয়েছিল, মানে কি কি কি হয়েছে? আমি (মেজর ডালিম) বলি, শোনো, এইযে সেনা পরিশোধ, আমরা যখন ভারতে যুদ্ধ করছিলাম, যখন আমরা বুঝতে পারলাম ভারতের গেম প্ল্যানটা, তাদের একটা শুধু প্রসারি চক্রান্তমূলক একটা পরিকল্পনা রয়েছে, বাংলাদেশকে প্রথমে ক্রাইম স্টেপ, তারপরে অঙ্গভূত করা, সিকিমের মতো।
আর তো এখানে, লেহেন্দুর দুধ দিয়েয়ছিলেন, আমাদের মুজিবর রহমানকে বানানো হলো ল্যাঞ্জুর তাজুরি, পরে মুজিবর রহমানকে বানানো হলো সেই ল্যাঙ্গুয়েজ দুধ। এটা যখন আমরা বুঝতে পারলাম, তখন সমমূল্য কমান্ডে যারা পলিটেক্যালি কন্ঠে ছিল, ছাত্রজীবনে ধরো, পরবর্তী জীবনে, তখন আমরা বললাম যে আরে, আমার জন্য আসল যে যুদ্ধ সেটা তো হবে স্বাধীনতার পর, ভারতের আগ্রাসহ আগ্রাসী অনুভব নিয়ে, যখন বাংলাদেশকে গিলে খেতে চাবে, সেইটার বিরুদ্ধে আমাদেরকে লড়তে হবে, তার জন্য আমাদের প্রস্তুতি থাকতে হবে, প্রস্তুতি এখনই গ্রহণ করতে হবে। তখন আমরা ওই মুক্তিযুদ্ধের আড়ালে, আমরা সেনাপরিসাদের বীর বপন করি, তোমার মনে থাকার কথা।
যদিও যেদিন জিয়াউর রহমান বিক্রেতা হিসাবে ইন্ডিপেন্ডেন্ট দিয়েছিল, প্রথমে তিনি নিজেই নিজেকেই অস্থির সরকারের প্রধান হিসাবে দাবী করেছিল, মানে ভাষণে বলেছিলাম। পরে ইন্ডিয়ার চাপে উনি থেকে বদিয়ে, যে মুজিবর রহমানের ইনস্টাগ্রামে আমি এই প্রশ্নটা দিলাম ভালো মতো।
এরপরও কিন্তু তার প্রতি ইন্দ্রেন্ট সরকার বা আওয়ামীলীগ সরকার কখনোই আস্থা রাখতে পারে নাই। তারা তাকে শিল্পা কমান্ডারের অবস্থান থেকে সরিয়ে নেয়, হেডকোর্টের দাম পরে একটা সেট হবে, মানে আমাদেরকে কেউ যেখানে যেখানে আমরা থাকতাম না, আমাদের সাথে কল্যাণী তে তোমার ক্যারেক্টার।
একটা বাড়িতে উনাকে নিয়ে নিস্পাপ হয়ে রাখা হচ্ছিল। তো কে যাবে ওনার সাথে, যা কে? তখন কিন্তু আমি (মেজর ডালিম), কারণ আমি জিয়াউর রহমানকে অনেক আগে থেকেই পাকনাম মতো দেখতে, একসাথে কাজও করি।
যাই হোক, আমি (মেজর ডালিম) গিয়ে ওনার সাথে যোগাযোগ করি এবং তাকে বোঝাই যে তার আপনি ধৈর্য্য দিন, আমরা আপনাকে সহজে হারাতে দিবো না, হারাবো না। তখন আস্তে আস্তে আমরা তাকে বলি যে আমি এরকম আসল উদ্দেশ্যে যে ভারতে এটাকে বানটেন করার জন্য এখন থেকে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি।
আপনি কি আমাদের সাথে থাকবেন, কি থাকবেন না সেটা আমাদের। আমি (মেজর ডালিম) আমাদের তরফ থেকে আমাকে পার্টনার হয়েছে জানার জন্য, কারণ আমি আপনার কাছে প্রত্যেক জোক ছিলাম পাই। তখন আমি তাকে আমাদের কর্মসূচি কি দিলাম, যা ২৫ বছরের একটা কর্মসূচি ছিল ইন্ডিয়া।
তুমি যদি এই কর্মসূচি এটা পড়ে, এই কর্মসূচিতে আমরা তৈরি করেছিলাম বিভিন্ন প্রেসিডেন্টের মুক্তিযোদ্ধা এবং অন্যান্য শাহরুখ জনগণের। যে কর্মসূচিটা পড়ার পর উনি এটাকে মেনে নেয়।
তো আমি (মেজর ডালিম) বললাম যে স্যার, আমাদের সমস্যাটা হচ্ছে আমরা সবাই প্রায় সমবয়সী, আমাদের একজন প্রিমিয়ার একটা দরকার, যাকে আমরা কাজ করতে পারি। তাকে আমরা কেন্দ্র করে এগিয়ে যেতে চাই, এই সেনাপতির সাথে কর্মসীতি বাক্যবানের জন্য আধুনিকতার পর আবির্ভাব যেগুলো তো করবোই। আধুনিকতার পর, এই কর্মসীটি আমরা বাথরূম করব। তখন উনি এটা খুব ক্যাট হলে আমাদের কর্মীদের বললেন।
তারপর আমি (মেজর ডালিম) এই দিন গেলাম, তিনি বলে যে আমি পড়লাম, আমি সম্পূর্ণভাবে একমত। স্বাধীন বাংলাদেশকে দেশ সুখী, সমৃদ্ধ, আত্মনির্ভরশীল এবং আমাদের সংস্কৃতির ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ গঠন করার জন্য এর চেয়ে ভালো কোন রকম কর্মকর্তি হতে পারে না।
আমরা ধারাবাহিক এটাকে কার্যকারি করি। কখন আমরা তাহলে কি, আপনি আমাদের সাথে কাজ করতে রাজি আছেন? আমরা আপনাকেই আগে রেখে আমরা কাজ করতে চাই, তার ইউনিভার্সিটি নিয়ে।
এবং আপনি একজন সৎ ব্যক্তি, উনি সৎ ছিলেন ব্যক্তিগতভাবে। আর তবে আপনার সমস্যা হচ্ছে আপনি বাংলা জানেনও না, বাংলা বলতে পারেন না, লিখতে পারেন না।
আপনি সারাজীবন তার এখানে বড় বড় হয়েছেন, ওখান থেকে আমি (মেজর ডালিম)। এটা তো আমাদের প্রব্লেম, আমরা রয়েছি। আপনি যে আন্দোলন করেন, আপনি যদি রাজি থাকেন, তাহলে আমরা একসাথে কাজ করতে চাই। আপনাকে সামনে রেখে আমরা কাজ করতে রাজি, এগিয়ে যাবে চেনা পরিষ্কার, এগিয়ে যাবে।
তখন বললেন যে আমি রাজি। তখন বলেন যে আজ যারা আমাদের সাংঘাতিক এই বিধান অনুযায়ী আপনাকে একটা কুরআন শর্ত দিবে। যে কোরআন ধরে আপনি বলবেন, “যে আমি এই কর্মকৃতি কর্মকাণ্ড সিনার পরশুদিনের কর্মকান্ড পরিচালনা করার জন্য ঈশ্বর নেতা হিসেবে যোগ দিতে রাজি,” আর তিনি উপরে আসলেন, কোরআন শরীফ রাখলাম, রাখা হলো তার উপর হাত রাখলেন, আমিও ওর হাতের উপর হাত রাখলাম। তারপর শপথ নিলেন।
আবার একটা শর্ত থাকতো, মাত্র যে দশদিন পর্যন্ত রাষ্ট্র ক্ষমতায় আমরা না দিতে পারবো। ১/২ পর্যন্ত সেনা পরিশোধ না করে আমার যে কোন সম্প্রকাশ কে সেটা প্রশাসন করা যায় যাবে না। আমরা রুমে একটু দেখে নিই, আমরা সবাই পরামর্শের মাধ্যমে রুমে একটু দেখবো। বললো, “শুধু তুমি আর নুর, এই দুজনের পারমিশন থাকবে আমার সাথে যেকোনো সময়, যেকোনো অবস্থায় যোগাযোগ করা।” আমলনামা আমাদের খুব বেশি যোগাযোগ করার দরকার হবে না, তবে প্রয়োজন মতো নিত্যনূত বেহেশত আমরা দুজনেই আপনার সাথে যোগাযোগ করবো। তাও তাঁর বাসায় অপসন।
এগুলো কথা তামিলনাড়ু তে আর সেই শপথ তো আপনি রাখলেন না। আপনি মনে করলেন যে আমাদের বিদেশে আইসা ঐ ছেড়ার সাথে আপনার আন্ডারই সরকারের আন্দোলন থাকবো আমরা। বিভিন্ন জুতো মাসে, আপনি আপনার যাদেরকে আপনি বিশ্বাসযোগ্য মনে করেন তাদের নিয়ে আপনি আজকে চালাবেন, চালাচ্ছেন, চালান। আমরা তো কোনরকম ভিডিও তো করিনি, আপনার করব।
আজ আপনি আমার বাবার সামনে বলছেন যে, “তোমরা লেটার স্বর্গে টেন হলে।” কিন্তু একবার টাল দেওয়ার পরে আর সেটা কে ফেরত নেওয়া যায় না। আপনি তার হাউ কে নিয়ে স্টার্ট করতে, এটা সম্ভব না। এভাবে আমাদের নিজেই শেষ হয়ে যায়।
আপনাদের ওই পচিশ বছরের পরিকল্পনাতেই কি শেখ মুজিবকে ক্ষমতাচূত করার পরিকল্পনা ছিল? সে অবশ্যই, শেখ মুজিব কি শেখ মুজিব ওয়াজিব আ ওয়াজে মেজর প্লেয়ার ট্রিপলমেন্ট ইন্ডিয়ান এপপ্স বলে ভিত্তিতে নিজেদের ধর্মীয় চেতনার ভিত্তিতে তুমি বাংলাদেশী বানাইবে কিভাবে ভাউ ভাউ ডিস্ট্রিক্ট। এটা তো এই প্রশ্নটা তো আমার মনে হয়, করাই উচিত ছিল না, কেন এটা করলাম? আপনার মুখ থেকে শোনানোর জন্য এটা শুনলে হয়তো অনেকেই মনে করতে পারে যে আওয়ামী লীগ হয়তো এটা নিয়ে কথা বলবে, যে জিয়াউর রহমান তাকে ক্ষমতাচ্ছুতা। আমি কিন্তু এখানে হত্যা করার কথা বলে, আমি বলেছি ক্ষমতাচ্ছুতা, ক্ষমতাচ্ছুত করার কথা কয়বার্তা পিতা মাতা।
এখন এই জায়গাতে, শেখ মুজিবকেই করার পরে আমি (মেজর ডালিম) ব্যক্তিগতভাবে শেখ জিয়াউর রহমানের প্রতি আমার সম্মান একটুও কমে নাই, কারণ ওইটা ছিল মেইন কালপিটেই শেখ মুজিব, সো তাকে তো সরাইতেই হবে।
এনি হাও, আপনাকে সেটা আমি (মেজর ডালিম) তোমাকে একটা কথা বলবো, “জি স্যার, জাতি আমি একজন মুসলমান হিসাবে বা একজন মানুষ হিসাবে, কেউ কোনো মানে মানুষ বা একজন মুসলমান হিসাবে আমি কাউকে জাতির পিতা, জাতির মাথা, জাতির জাতির ভাতিজা ইংল্যান্ড মানি না। এগুলি এগুলি, এগুলি সঠিক বয় এর ৯।”
স্যার, আপনি তো সেক্টর কমান্ডোর ছিলেন, মানে আপনি তো বিরুত্তম ছিলেন, একজন এগুলির কথা আমি (মেজর ডালিম) শেষ করি নাই। আমরা এই যে শোভবো সমাজ তথাকথিত যেখান থেকে আমরা গণস্বর যাচাবত নেই, যেখান থেকে আমরা মানব মানব বুদ্ধিজীবীদের কবক নেই, যেখান থেকে আমরা শিখি, আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা, বলা হয় স্বাধীনতা।
এই সমস্ত যারা যেখান থেকে আমরা সর্বপ্রথম, সেই সমস্ত দেশে কি জাতির পিতা, জাতির পিতা, জাতির বাতা, জাত এই সমস্ত আছে? বলো, কোন দেশ আছে? মানে ইউএসএতে কয়েকজনকে তারা ফাউন্ডে, মানে ইউসের ফাউন্ডের মনে করে। দেখো, মেন্সাল মন্ডল এর ওয়াজ স্ট্যান্ড নম্বর, উনি তো কোনদিন এসব করে নাই যে তাকে বলা হোক জাতির পিতা। কে নিয়ে এটা? ঝুমুর কে নিয়ে এটা? উনাকে তো জাতির পিতা বলা হয় না, লবন প্যাকটিক লবন বা লবন।
স্যার, আপনার পিতা যদি বলা হয়, যেমন ভারতে এই কালচারা আছে, কিন্তু ভারত যদি ভারতে কালকে থেকে মানবো কেন না, যদি মানা হয় সেক্ষেত্রে স্যার, এটাও মানা হবে মোহাম্মদ আলী জিন্না বাংলাদেশের জাতির পিতা হবে, কারণ সে ২ জাতির তথ্যের ভিত্তিতে ২ রাষ্ট্র গঠন পেয়ে গেছে। আর মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কোনদিনই ভাই সত্যি বলছিস, যদি তারা করে, করতেই চায়, তো তাহলে সেটা অবশ্যই হবে। কারণ আমার দাদা, দাদা, নানারা সব ছিলেন, ইয়ার্কি হচ্ছে, ওনার এই ইয়া বিলাড থেকে যে ব্লেড থেকে নিয়ে আসছিল দিনাতে অপু ভাই বিদেশে।
তাদের ১ পয়েন্টে যায় মুসলমান দেশ, যেরকম স্বাধীন দেশকে, এবং প্রথম গুলি খায়, এই পার্সোনাল আন্দোলনের মূল পয়েন্টে, কারণ মাইকেল কলেজের নেতৃত্ব দিচ্ছে আমার বাবা। বুঝলা, অতএব, আমার মনে হয় আমি যে দিনরাত যতটুক জানি, তিনি নিজেও কোনদিন জাতির পিতা হিসেবে খিদার নিতে রাজি হচ্ছেন না।
জী, স্যার, আমাদের অনেকগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ কোশ্চেন আছে, যে কোশ্চেন গুলো মানুষ অনেকে ৫০ বছর অপেক্ষা করছিল, আমরা দ্রুত কোশ্চেনে যে পরে কোশ্চেনটা স্যার, মানে ইয়েস নুসরাত ২, মানে দুইয়েতে যাও, মানে আমার দর্শকরা, আপনার দর্শকরা, আপনার দর্শক, তোমার দর্শক, আমি আমার দর্শক বলেই, যে তোমার দর্শক এই। তুমি আমাকে, আমার সাথে কথা বলছো, এবং তোমার মাধ্যমে তারা আমাকে দেখছেন।
আমি (মেজর ডালিম) বলবো, যে আমি দর্শকদের সোজা কথা বলতে চাই, যে আমি ব্যক্তিগতভাবে জাতির পিতা, জাতির পিতা, জাতির বউমি, জাতির জামাই, এই সমস্ত আমি বিশ্বাস করি। আমরাও করি না স্যার, বাংলাদেশের মানুষ কেউই করে না এটা। যারা যাদের বোধগম্য থাকা অতি, জাতির পিতা যদি বলতেই হয়, তালে বিশ্ব মানবতার পিতা হচ্ছে আদম ওয়ালা কে। এটা কি অস্বীকার করতে পারে? তা আমার কথা হচ্ছে, তোমরা অন্য উন্নত দেশগুলি থেকে, তোমরা গণতন্ত্রের শিকার হও, তারপর মানবতার অধিকার শিখায় আসো।
এগুলো কি নতুন করে শিকারর কিছু আছে? আমাদের কুরআনের মধ্যে এই সমস্ত নাই। তারপর বিভিন্ন ধর্মঘট থেকে এগুলি নেই। তারপরে, ওই সমস্ত যে সেখানে জাতি সুস্থ থাকে না, ওইখানে কেন জাতির মাথায় থাকেনা? আমাদের এখানে কেনো থাকতে হবে? ইন্ডিয়াতে কে জাতির পিতা? হুইচে জাতির পিতা হই ইন্ডিয়া, বলো, তুমি আমাকে। জাতির পিতা, তুই জাতির পিতা, কোন সভ্য দেখে জাতির পিতা বলে কোন জিনিস নাই।
এটা হইল আমার শেষ কথা, এটাতো স্যার, মুজিববাদ প্রতিষ্ঠিত করতে হবে, যাক স্যার। আমি ১ কথা বলব, যে একটা গ্রুপের একটা, একটা সেগমেন্ট, আপনি প্রগ্লিশানের চিন্তাভাবনা, আপনি না স্যার। এটা আলাদা একটা রিলিজিওন, আওয়ামী লীগ হচ্ছে একটা ধর্ম, ওদের ধর্মের এই প্রফেক্ট হচ্ছে গিয়ে, শেখ মুজিব হ্যাঁ, এটা শুধু, শুধু মানুষ না, ওরা, ওরা আরেক জিনিস, এটা কি আপনি ঠিক করতে পারবেন? ওরা মানুষ না হইলে অমানুষ হোক, বা অন্য গ্রহ থেকে, ওরা যে আগুন হোক।
আমি (মেজর ডালিম) বলব, তাদের মেন্টালিটি যে ভারত, যেখানে এখন উনারা গিয়ে আরামে এসে থাকতে থাকতে, বাংলাদেশ থেকে পলাইয়া, কোনোদিন শুনি নাই, কোনো প্রাইম মিনিস্টার পলায়ে যায়, আচ্ছায়ে দিবে। উনারা পলায়ে গেছেন। এখন ঐ দেশটাতে কোনো জাতির পিতা, বলো, নাই, তা আমরা কেন জাতির পিতা নেব? কেন নেব? কি যুক্তি টা কি? বাংলাদেশের স্বাধীনতার ব্যাপারে বা স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত, বাংলাদেশ থেকে পৌঁছানোর রাজনীতিতে কি শুধু মুজিবের অবদান ছিল? এখানে ভাসানীর নাম দিতে হবে না।
ফজর লোকের নাম নিতে হবে না, পরের দিন নাম নিতে হবে না। বলো তুমি, পরিষ্কার পাবে। কেন তাহলে বুঝিব কিভাবে জাতির নিতে হবে? একমাত্র মুজিবই কি বাংলাদেশের ঠিকানা? না, আমি (মেজর ডালিম) সেটা মনে করি না। মুজিব তো কোনদিন সাজতে চাইনি বাংলাদেশের জন্য। ৩ নম্বর, ওয়ান টেট, বাংলাদেশ বিএনপি, স্বর আগরতলা, স্বর্ণিত মামলা, কামরাহিসুর আবোল তাবোল কথা বলে, ইচ্ছা বলে, আসল ইচ্ছা তো আগরতলা, মানে স্বাধীনতার কথা, সেনাবাহিনীর ১ তরুণ চিন্তা করেছিল। তিনি ছিলেন, ফ্লাইট লেকচার, সরি কমান্ডোর গর্জন হচ্ছে।
স্যার, অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে, যেগুলো মানুষ শুনতে চায়, সেখানে যাই। আমি কথা হচ্ছে যে শোনো, যার যা প্রাপ্য, তাকে সেটাই দিতে হবে। হুম, সেই মর্যাদাই দিতে হবে। না হলে এইটা বলবো, না আমি, আমি আপনার কাছ থেকে আমি ধারণা করছিলাম যে আপনি হয়তো শেখ মুজিব সম্পর্কে অনেক বাজে ভাবে কথা বলবেন, কিন্তু আমি আপনার রেস্পেক্ট এবং শালীনতা দেখে খুবই অভিভূত যে আপনি যথেষ্ট সম্মান নিয়ে আওয়ামী লীগের শেখা উচিত।
যে মেজর ডালিম সম্পর্কে তারা যা শুনেছে এতদিন, সেই মেজর ডালিম একবারও শেখ মুজিব সম্পর্কে বাজে কোন ভাষা বলে নাই বা তাকে নিয়ে কটাক্ষ করে কোন কথা বলে নাই। যাই হোক, তো আমরাও স্যার, এটাই, এটাই বলে আসছি যে আমরা কাউকে অসম্মান করতে চাই না এরকম। শুধু আরেকটা কথা শুনতে হচ্ছে, এই কথা বার্তা বলতে আমি বললেই, তাইলে আমার বইটা পুরস্কার লেখাতে, ওই পরিবার এর সাথে আমার কি সম্পর্ক ছিল? ব্যক্তিগতভাবে বা পারবে পারবে কি করে?
আমরা কিন্তু তার সাথে ভিক্ষে করি নাই। আমাদের যখন চাকরি থেকে বের করে দিলেন, নিত্য নয়নের মাধ্যমে ঐ যে বিচার করলেন, গাজীগন নষ্ট হয়ে গেছেন কেন্দ্র করে। আমরা মেনে নিলাম, উনি নিজে রাখলেন আমাকে, আর এই মুহুর্তে। স্যার, এটা, এটা আমার এই কোশ্চেন, একটা এই কোশ্চেনটা তাইলে করে ফেলি। আপনার ওয়াইফকে, আপনার ওয়াইফকে অপহরণ করেছিলো এই শেখ মুজিবের, তারপর গোলাম মোস্তফার ছেলে, এরা কামালের বন্ধু বান্ধবেরা, এটা না, রাকিব হোসেন নিজে, নিজে ছিল।
তো, আপনার, আপনার স্যার, আপনি এটার বিচার চেয়েছিলেন শেখ মুজিবের কাছে? আমার বউ বিক্রি করেন, জ্বী, কন্টিনিউ করেন স্যার, এবার হ্যাঁ। যে আপনি বিকেলে, আপনার প্রাইম মিনিস্টার, ঘটনাটা কি? আসলে ঘটনাটা কি ছিল স্যার, একটু শুরু থেকে বলতেছি। এটা একটা, মানে মজার ঘটনা। আচ্ছা, তুমি শুনতে চাও? তুমি একটু আমার বইটা লেখা আছে, যদিও সবাই শুনতে চাই, স্যার, সবাই, আমি একা, সবাই শুনতে চাই।
ঘটনাটা হচ্ছে, আমার ১ খালাতো বোন, তার নাম তাবিজ, তার বিয়ে ঠিক করেছিলাম আমি আর নিম্মি, কল্যাণ রইলার সাথে। যে আমাদেরকে জুনিয়র চাকরি, তার সাথে বিয়া, বিয়ে হবে অনুষ্ঠান হবে ডেডিকেট ক্লাবে। তো, দুপক্ষেই আমাদের পরিচিত, অতএব আমরা এলাম রায় মিডিয়া। ঠিক আছে, ঠিক আছে। তখন আমরা কি করলাম? কিছু সময় এনিভমেন্ট, আমাদের উপরে দায়িত্ব আসলো।
তো, কাকে রাখি আর কাকে বাদ দেই, এত মানুষের সাথে পরিচিতি। তো, আমরা যাই হোক, বেশ ভালোই প্রায় ২ ৩০০০ লোকের মতো, লোক ইনভাইট করা হলো। ২ চোর আছে, চলছে বিয়ার আসর। তখন আমার একমাত্র শালা, যার নাম বাপ্পি, ও নাগগিলি ডিভোর্স থেকে পড়তো। ওখান থেকে ছুটি নিতে আসছে দেশে। আমি আর নিমিত ২ পক্ষের মানে হল, বলতে পারো, সবাই দেখাশোনা করছি। বাপ্পি বসে আছে ছেলেদের, যেখানে বসার জায়গা, সেখানে।
তখন লম্বা চুলের একটা ফ্যাশন ছিল, ও বসেছিল অন্যান্য গেটের সাথে, তার পিছনের রোতে।
গাড়ির গরম আসতেও মস্ত বড় ছেলেরা আর তার মানে সংস্কৃতি। বাড়ির পিছনে ভদ্র মানুষ বিদেশে থাকে, বিদেশে বড় হইছে। আবার ওরা চুল টান দিল। দ্বিতীয় ১২ চান না করে বাপ্পি পিছনে তাকিয়ে দেখবে যে একটা ছেলে হাত সরিয়ে দিবে। তখন বাপি বলে, “বেয়াদব ছেলে, তুমি আর এখানে বুঝবে না। অন্য কোথাও গিয়ে বল।” ওরা বেরিয়ে চলে গেল।
আমি, আমরা কিছুই জানি না। মানে, আমি আর নিমিষই এত ব্যস্ত। দুই পক্ষকে দেখছ না, খাওয়া-দাওয়া চলছে। হঠাৎ দেখলাম, দুইটা নায়করুবা আর একটা গাড়ি। গাড়ি আগে-পিছনের দিকে। মাইন্ড ইউস করেন, কিন্তু আমার নিজের পার্সোনাল সিকিউরিটি গার্ড। ওয়ালে মজুর লেডিস ক্লাবে। আমি কুমিল্লার থেকে তখন কুমিল্লা থেকে আসছি।
বেয়াদব আসলো, থামলো। দুইটা মাইক্রোবাস থেকে প্রায় ৮ জন ডেঞ্জারধারী সাদা পোশাক পরা লোক নামলো। আর পরস্পর গাড়ি থেকে নামলো। গাড়িগুলো গোলাম হচ্ছে চরম। তার থ্রি কিন্তু ঘুরতে মেয়েমহলে। উনি গাড়ি থেকে নেমে চিৎকার করতে শুরু করলেন, “মেজর ডালিম কোথায়? মেজর ডালিম কোথায়? লিমেজের ডালিম কোথায়? বহুত ১২ বাড়তে আর সহ্য করা যায় না।”
আমি অবাক হইলাম, এরকম চিৎকার করতেসে। তখন একজন একটা ছেলে এসে একটি ভিডিওতে ক্যারেক্টার নিয়ে একটা ছেলে, নাম তো মনে নাই, এসে বলল, “ভাই, আর দশ জন সিঙ্গার দাবি। আমরাও সেই, এ সেই অপারেশনের যুক্ত ছিলাম।” যাই হোক, আমি বাইরে আসলাম। এসে দাঁড়ি গোড়া মতো সামনা সামনি বারান্দাতে।
আমরা, আমি নেই যে দাঁড়ি। আপনি আসুন। আপনারা বেকুম সাহেবরা তো আছেন ভিতরে। আপনারা আসেন। বর্গদকে আপনি গোয়া করেছেন। হারামজাদা বারবারসে আর্মির। আজকে আমি উচিত শিক্ষা দেব। আমি দেখলাম আমার চারদিকে ট্রেনের ঠেকায় ঠেকায় ঠেকাইলেও প্রায় চারবার জন মানুষ।
আপনারাই দেখুন। আমি একজন খেইন মানুষ। আমার কটের কট আছে। ওখানে ৪-৫ জন। ওয়ার্ল্ডের সাথে হাইকেন কল এনি ওয়ান, এনিটাইম। এম পি ইলিশ দরকার হয়। একই অবস্থা। একটা বিয়ে বাড়ির মধ্যে এরকম একটা হুশটুক কাণ্ড। আপনি যখন দেখেন, কিছুই কি ব্যাপার? আপনি জানিনা যে এর মধ্যে কি ঘটনা ঘটলো।
ওইখানে ওঠ। একটা মেয়ের বিয়ে হচ্ছে। আর আপনি আমাকে বলতেন, “ওহ, কি! আমার কাপড় টাপড় ধরে না।” চারজন মিলে আমাকে উঠালো। খবর চইলা গেল ভিতরে অন্য মহলে। নিম্মি আর আমার শাশুড়ি, মানে আমার খালার শাশুড়ি, মানে কন্যার মা। উনি বেরিয়ে আসলো।
উনারা আসলে কি ব্যাপার? দেখেন কি রকম ভাবে ঠেলে-ঠেলি করে উঠানো হচ্ছে। আমি ম্যাচুরিটিতে উঠলাম। উঠে দেখি চুল্লু আর আলম নামে দুইজন মুক্তিযোদ্ধা ক্রেট পার্টনারের সদস্য। তারা ছিল আমার ছোট ভাই স্বপনের সাথে। স্বপন বিরতির পর ওদেরকেও মারতে মারতে মানে রক্ত বের করে ফেলেছে। মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছে। আহত অবস্থায় তারাও বাইর করবে।
তখন আমার খালা খালাম্মা গাজীপুর বলে। তখন আমার স্ত্রী বলল যে, “আপনি তাকে একা নিয়ে যেতে পারবেন না। আপনি আমাকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।” ঠিক আছে, চল।
ওনেও ধাক্কা দিয়ে উঠায়ে দিলো। তখন আমার খালা বললেন, “কাজী সাহেব, আপনি কিন্তু বাড়াবাড়ি করছেন। ঠিক আছে, যেখানে আপনি নিয়ে যেতে চান, আমিও যাবো।” কাজী কি স্যার তখন ঢাকা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাকি? তখন সে আওয়ামী লীগের সভাপতি নাই।
অশিক্ষিত মূর্খ মানুষ সাধারণত রেড করতে চেয়ারম্যান হয় না। কিন্তু ওকে বানানো হয়, যাতে করে লুটে এই যে রিলেখার মার চুরিতে আমাদের করতে শুরু হয়। যাই হোক, সেটা অন্য ব্যাপার। তারপরে আমাদেরকে নিয়ে উনি গাড়ি ঘোড়ায় চড়লে। প্রথম ফাউন্ডে ফার্মগেট দিয়ে ভিতরে ঢোকার পরে আমি দেখলাম যে, “আরে সম্ভব! ৯ কোথায় যাচ্ছে? লক্ষ্মীবাদী ক্যামনে নাকি?”
তখন আমি কী করছি, কী করি? এর মধ্যে আমার খালা আর নিমিষেই শাড়ি ছিঁড়ে চুল্লু আর আলমকে ব্যান্ডেজ করে দিয়েছেন। তাই দেখি দেখি, কত তার দিকে রক্ত দিতে পারে। আমি হঠাৎ বললাম, “গাড়ি থামাও, ড্রাইভার।” এমনি মিটআপ সকল বাপকে ওরা কিছু গেটকে বোঝায়ে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছিলো গাড়ি করে।
গাড়ি আসছে। তো আমি বললাম, “গাড়ি থামাও।” ড্রাইভার গাড়ি থামা দিলো। আমরা তখন, আমার আমার আমার গাড়িতে প্রায় ৪ জন তিনজন গাড়ির লোক। তারে একজনকে বললাম যে, “তুমি গিয়ে ওই সামনে যে গাড়ি, গোলাম মোস্তফা বসে আছেন, কাজগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেন।” গাজী অনুষ্ঠান দরজা খুলে আমাদের মাইক্রোফোনটা আসবে।
তখন আমি গাজীর মূর্তি গম্ভীর্য বললাম যে, “হাজী সাহেব, আপনি তো আমারে নিয়া চলতেন, খোঁজে নিয়া যাচ্ছেন জানিনা। কিন্তু একটা কথা মনে কইরে রাখেন। আপনাকে মনে করেন আপনার ভালোর কি? যে আপনি যে আমাদেরকে এইমাত্র রেপ করতেছেন।”
এইটা শোনার পরে গা দিয়ে গেল একটু। ঘাবড়ায়ে যে, তাই তো! আমি যে উঠায় নিয়া আসি, এটা তো সবাই দেখছে। তখন আমরাও যাই। আপনি যাই করেন। আমি উনি যখন হতভম্ব হয়ে যাইতেছেন, তো। এছাড়া আপনি বাঁচতে পারবেন তো?
এর মধ্যে আমার ছোট ভাই স্বপন বীরভূম কি ফেরত আসছে। আমি ইসলামিক বক্তব্য থাকছে। ওরা শুনলো যে এই ঘটনা ঘটছে। ওখান থেকে সোজা সম্পদ চলে গেলো এমপি ইউনিটে। ঢাকা ক্যাডোনার এ। ওখানে গিয়ে বললো যে, এরকম অবস্থা। বিয়ে বাড়ি থেকে কিডন্যাপ করে এ বিয়ে। এ বিয়ে বিয়ে বিয়েতে কিন্তু রেয়ার আমার উপস্থিত ছিল। শফিলে ও উপস্থিত ছিল। খাত বছর ও মানে সবাই উপস্থিত ছিল।
আচ্ছা, উনারা তখন চলে গেছে। সেদিন কি একটা ছবি দেখানোর কথা ছিল। সত্যজিৎ তার এটি যদি মহানায়কন্যাকে একটা ছবি তোলা দেখার জন্য সবই চলে গেল। আগে তাড়াতাড়ি খাওয়া-দাওয়া করে। তখন এ খবরটা পার পরে।
দ্বিতীয় অবধি এমপি ইউনিট। এ খবরটা ব্রিলিয়ান্ট ইউনিট মেট। সবসময়ে এটা সে জানায়। লুঙ্গি, গেঞ্জি, পায়জামা—যে যা পড়া ছিল, সবাই ঢাকা শহরে বেরিয়ে গেছে। তারা খুঁজতে লাগলো যে, আমাদের। আর একদল সোলজার এমপি পাঠানো হলো। যারা ওই অবৈধ অস্ত্র কালেকশনে যেতে পারছিলো গাজীর বাড়িতে।
গাজীর বাড়িতে যাদের পাইতে হবে রে বন্দি করে নিয়ে আসছে। আমি কিন্তু এগুলা কিছু জানিনা। গাজী তখন আমার কথা শোনার পর ওদেরকে কিছু চিন্তা করলো। চিন্তা করার পরে দেখলাম যে উনি দক্ষিণেদের দিকে না গিয়ে ৩২ নম্বরের দিকে যান কলাবাগানে। আমি বললাম, “আলহামদুল্লিলাহ।”
৩২ নম্বরে ঘাট রেডিমেন ছিল পাট ফিলডিয়াম, যেটা আমার হাতে গড়া। তার আগে হাত দিচ্ছিল প্রাইম মিনিস্টারের বাড়ি। আমার জানা আছে। তো গাড়ি চললো, আমরা পিছিয়ে যেতে চললাম আবার গাফেলা। গাফেলা কে গাড়ি ৩২ নম্বরে গেটের ভিতর টোটকানা দিয়ে বাইরে খাড়া করায়। চপ করার পর গাড়ি তার গাড়ি নিয়ে ভিতরে চলে। আমরা ওখানে থাকলাম।
ইতিমধ্যে, যখন এরকম সারা আর্মি যারা বিপদ ছিল, তারা যখন গাড়ির পরিবর্তে ধরে নিয়ে আসি। আর সবখানে বেরিকেট দিয়ে ত্যাগ করা হচ্ছে প্রত্যেকটা গাড়ি, যাতে ঢাকার বাইরে না যেতে পারে। এই হরিণটি উপলক্ষে আমাদের তখন রেস্তোরাঁয়।
উনিসে মেজর মুমিন ছিলেন অপরিচিত। পরে লিখতেন কারণ তাকে যাই হোক। তখন আমরা বললাম যে গাড়ি ভিতরে গেল, কী বলবে? ঠিক সে সময় দেখলাম একটা সাদা টোয়েন্টি গাড়ি আসলো। রায়গঞ্জে যে বর্ষা স্বপন। পাশে বসা আমার বোনের জামাই লিচু, আবুল খায়ের লিচু, যে নাকি বেঙ্গল গ্রূপের মালিক। বিরাট দরিদ্র ব্যবসায়ী। ওই সালমান রামান তোমাদের সাথে দেখা করতে।
যাই হোক, ওরা দুজন আর এসপি মাহবুব সঙ্গে। এসপি মাহবুব ছিল মুজবের খুবই বিশ্বস্ত একজন। মানে তাকে যে সমস্ত ওই মানুষটারে মারাত্মক ঘটনা ঘটছে। মা-বাবাকে গুড মর্নিং বলে ওদের গাড়ি যখন আসলো। আর গাড়ি থেকে পরে আমি এই গল্প মা-বৌয়ের কাছ থেকে শুনছি যে স্বপন এই ক্যান্টনমেন্টে জানানোর পর সে চলে গেল।
মাহবুব এইবার মাহবুবের কিন্তু সেই বিয়েতে আসার কথা। তো সে ওয়াই লেইসে জানাইছে যে, “আমি মানিকগঞ্জ থেইকা ফিরছি। কুত্তার সহসা আমি বিয়ে বাড়িতে আসছি। তো আমার দেরি হবে।” স্বপন চলে গেছে তার বাসায়। সেটা একটু মিন্টু নয়, মিন্টু রজনী মানে ৫ ওয়ান গ্রাজুয়েশন এর অবস্থানদের জন্য একটা ইন্টারফেয়ার আছে। তুমি হয়তো জানো দেখেছিস কিনা জানিনা।
তখন বাঙ্গো ছিল, এখন বোধ হয় মাল্টিপ্লির ফ্ল্যাগ। এই ইন্টারনেটের সাথে তো সেখানে মাবুদ থাকতো। তো ফ্ল্যাটে মিঠু আর স্বপন যে উপস্থিত হয়েছে। ঠিক সেই সময় মুহূর্তে মাবুদ গেট ইংরেজিতেও কামটু।
হ্যাঁ, কিন্তু মাবুদ ভাইয়ের ঘটনা ঘটছে। বলে, “কি কি ঘটনা? ঘজি, মিমি আর ডালিমকে উঠায়ে নিয়ে গেছে। গাজী গাজীর কলম মারতে পারে বিয়েবাড়ির থেকে। কোথায় নিয়ে গেছে, কি হয়েছে জানিনা। তবে তার পরিবারে সবে যে এখন এক্সপায়ার হয়েছে, তার সব ওই ফালতু উদ্ধানে আছে। মানে গেস্ট করতে।”
আর্মি সাহেব ঢাকা শহরে ছড়ায় পড়ছে। তারা প্রত্যেকটা গাড়ি চেক করতেছে যে লুকোচুরি মিটিং, ওয়েস্টার্ন এড্রেস ম্যামকে চাই নাকি। এটা তো সাংঘাতিক কথার। গাড়ীতে তো বিশ্বাস করা যায় না। বুঝেছ?
রেড টেলিফোন করতে মানে হাত দিতে গেলে টেলিফোন লাগাও। টেলিফোন লাগাও। উঠেছে। কে বলছে? “আমি মাহবুব বলছি।” বলছি, “আমি প্রাইম মিনিস্টার মজুমদার। এর মধ্যে কি প্রস্তাব দিব্বি, কি প্রস্তাব?”
টিজিয়ে খালেদ মাশরাফি বিনদের কে ডাকানো হয়েছিল। তখন লিপস্টিকের গাড়িতে বসেই ও চলে আসলো। তো, ওই গাড়িটা যখন গেলো, গাড়ির নাম্বার দেখে আমি বললাম যে, “ওই একটাই আমাদের। মারবে না। কারণ এরা যখন এসে বসে থাকে, তার মানে সিন্দুর বিয়ার তখন খাবো।”
আজ সারা দেশে কি হচ্ছে, একজন জানি না। মানে সারা ঢাকা শহরে। তখন গেটের সামনে থামলো। উঠে থেকে মাহবুব নামলো, স্বপন ঘন লিচু গাড়ি নিয়ে দূরে গিয়ে সামনে ব্রিজের কাছে থামলো গাছের ঝাড়নি। আমরা যে মাইকিং বাসটা আছি, ওটা কিন্তু ওরা জানে। বাবু চলে গেলে ভিতরে।
ইন্দিমেট আমি চিন্তা করছি যে, আমি কি করবো? কি করার কি আমার? তখন তো তারা সমস্ত ব্যাডেলন ঘুরায় দেবে। কিন্তু এর মধ্যে এত কষ্ট, এরই সিচুয়েশনে কে বলবে, কে বাদ দিয়ে একটা সমস্যা। এটা বোধহয় ঠিক হবে না। যেহেতু মাহবুব ভিতরে কে আছে লিখতে পারে।
কিছুক্ষণের মধ্যেই মাহবুব। আমি দেখলাম যে মাহবুব না, শেখ কামাল, রেহানা, তারপরে শেখ জামাল, বেগুন মজিদ। গেটের বাইরে এসে আমাদেরকে খালাম্মা টালাম মানে চরম অসুবিধা। মানে রক্তাক্ত চুলগুলো দেখিয়া তো ওরা ঘাবড়ায় গেছে।
তারপর নিম্নের অবস্থা। ভিতরে নেই। আমাদের ভিতরে নেই। তখন ভিডিওর মাঝে বলে বের হলাম। তৃতীয় রুমে প্রথম আমি। আমাকে ডাকেন মুজিবুর রহমান। আর আমার নিম্নিকায় তো রেহানারা সব ওখানে দাঁড়ায় রইলো। বিষ্ণু মজিদ দাঁড়ায় রইলেন। আমরা ভিতরে গেলাম।
গিয়ে দেখি, সব বুঝিস বসে আছে। তখন এরমধ্যে গাজী গুলোর তো আর বাসা থেকে ফোন আসছে না। প্রাইভেট হয়ে গেছে। যে বাড়ি সবারই ধরি নাই। যতদিন যতক্ষণ না পাওয়া যাবে, আমরা কাউকে ছাড়বো না। আর এই খবর শোনাও। গাজীরও মুখ শুকায় গেছে। মনে হয় মুখ শুকায় গেছে।
যার জন্যে এই সবাইকে দেখে নিয়ে আসছে। তো মরলি বুদ্ধি আরকি। আমরা ঢুকতেই মিমিকে জড়াই ধরলে। আর কি করবো রমণী? “না তুই কাঁদিস না। তুই কাঁদিস না। আমি এটার বিচার করব।”
“আরে হামজাদা গাজী, তুই কই ছিলিস? কে এটা কি করলি তুই? না, ওর পা ধরে মাফ চা। আমার বউয়ের পা ধরে মাফ চা।” গাজী একটু অবশ্যই খড় পর। আমার বউ হলো নিজের চক্কর খুলে বললাম, “খবরদার! তুমি আমার ক্ষমা পাওয়ার যোগ্য না। আমি তোমাকে ক্ষমা করতে পারব না। তুমি লিখে দাও।”
মা, আবার বুঝি। আমার বউ নিমন্ত্রণ রইলো। মা, আমি এই উপযুক্ত বিচার করবো। তুই আমার ভরসা রাখ। তখন আমার বউ বলছিল, নেমে বলছিল, “যে চাচা, যাদের রক্তের উপরে আপনি আজ দেশের প্রধানমন্ত্রী, তাদেরই আজকে রক্ত ঝরাতে হয় স্বাধীন দেশে, গাজীর মত একটা কম্বল চোরের হাতে। এর বিচার আপনি কি করবেন?”
আমি বিচার দেবো। মাল লাগবে। আল্লাহ তার বিচার করবেন। আমি আপনার কাছে কোন বিচার চাই না। কখন আবার ঐ যে বেগম মিজানুর রহমান, এরে ওপরে নিয়ে যায়। এরে ওপরে নিয়ে গেলেন আস্তে আস্তে। কি?
আমার বাড়ির ১ কাম। কর সখিলা, তুমি ওই আর্মি কন্ট্রোলে ফোন করে মুমিন রে বলো গাড়ি অপারেশনে নিয়ে যেতে হবে। আমি কিভাবে একজন ১৭ জন অস্ত্রধারীকে ছাড়িয়ে দিতে পারি? গাজী হ্যাশট্যাগ ফিডিউস যে মিছেইন ভবিষ্যতে ইটস হোয়াইট। এখানে ১৭ জন অস্ত্রধারীকে আমাদের কাছে সফরতো করতে হবে। তারপরে আমি ডিসাইড করবো আমি সুইসাইড করবো কি না। আমি গাজীর ফ্যামিলিকে থাকবো কি থাকবো না।
অব তে গেল আরবি গিয়ে মুজিব কাপাকাপি শুরু। গাজী গুলোর মধ্যেতে বুক শুকায় শেষ। আর তোমরা বলে দেখো, ওনাকে বলেন, “উনি লিখোতো অর্ডার দিল আমি সেটা মানবো না। উনি যে ১ বদমাইশ মাইন্ডেড। উনি কি সব মাইক কি অবস্থা?” এখানে কোনও ভাই-বোনদের ব্যাপার না। এটা হলো লিগ্যাল ম্যাগ, লিগ্যাল ব্যাপার।
তখন ছোটবেলা তবুও দেখো মুমিন, তুমি যদি একটুখানি দাঁড়ি বনানী। তখন ওই আরেকবার তুই ফুর কর। ফোন করার পরে তুমি জানো যে লোক মোমেন আইরে ত্রিপুরা থেকে কিনছি। তখন মুজিবুর রহমানকে দে। আমাকে উনি ফোন নিয়ে বলল নিজের মহম্মদ কে যে, “আমি মুজিব বলছি।” মুজিবর মুখ শুকাইয়া গেল।
কি করা যাবে? এই দেখ প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। হ্যাঁ, ও হলো তোমার। বলে, “এইটা লালবাগের ছেলে।” আর আমরা খেলাম বারী ১২। যাইহোক, সরি, ও আমার আমরা দোস্ত, মানে বন্ধু। তো কেবল মুজিবুর রহমানের এবং আজহারী গাজী রিকভারিজে ইলিক্যালাম। দেশে ইমার্জেন্সি চলছে। আমাদেরকে প্রাইভেটদের খুব যুক্তিপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করে আসছি।
তখন বলে, “আমার আর কিছু বলার নেই। আপনার যদি কিছু বলার থাকে, আমাকে বলার রেখে এখানে। আমাদের ক্ষমার দৃষ্টিতে জানান। আপনি যদি না ঠিক আছে, তুমি যাও বলো।” তো সে চলে গেল।
এরপর শেখ মুজিবুর রহমান, “তুই মাফ কইরা দে। আমিও কিন্তু স্যার। আমি তো বললাম, স্যার, শেখ মুজিবকে কাউকে বোধহয় আপনি তো আপনি মানে অফিসিয়াল কোন। এগুলি মানতে হবে আমাকে। তুই করে বল, কারণ আমার একটা পারভেজ সম্পর্ক ছিল। তো উনি তো মাহবুবকেও তুই করে বলত। গায়েগুলা মোস্তফাকেও তুই করে বলত। শফিকুল লাগবো। তুই, আমি তো জানি না।”
মানে, আমাকেও উনি তুই করে বলতেন। আমি তো রোবার দিকে যে কোনো সময় গিয়া ডাকতে যাইতাম, খাবার খাইতাম বইসা। কই মাছ পছন্দ করতেন। ওই উনার যে চৌবাচ্চা, সবসময় বড় বড় কই মাছ থাকতো। যে কোনো সময়, যে কোনো সময়, যে কোনো সময় যাইতে পারতাম। যে কোনো সময় ডাকে চলে যেতেন উনি। তাই ডাকতেন আমাকে। আমি খবর পাঠাবো না। আমি, “জি স্যার।”
তো এখন উনি বললেন, “ঠিক আছে। আমি তো আরো ২-৪ দিনের মধ্যে আইসা পড়ছে। তখন গাড়ির কোনো অভাব নাই। আমি তো আমরা চলে যাবো। আপনার গাড়ি যাওয়ার দরকার নাই। ওখান দিয়ে শুনো, ১ রাত এই গাড়িতে বললাম যা। তুই যাবি। আর এ দেশেতে বিয়ার বাকি কাজ যে সম্পূর্ণ হয় নাই, সে সম্পূর্ণ করে।”
সম্পূর্ণ সম্বন্ধন করার জন্য নিমেষে বলল, “খবরদার, তুমি আর লেজে যাবে ঢুকার। তোমার কোনো অধিকার নাই। তুমি সেটা লড়তেছ। তুমি যাবা না।”
এরপরে দুইদিন পরে আমি কুমিল্লার ট্রেনে চলে আসবো। হঠাৎ শেখ মুজিবুর রহমান সাহেব ডাকলেন। তীব্রতার শরীরে ডাকাত ডাকাত রে বজ্রপাত এসে বললেন, “তালিম, তোমার, তোমার, তোমার একটা। তোমার নিমের ঘটনা নিয়ে এর মধ্যে তো অনেক ভুল মানুষ আছে। আমার বইটা আসলে যে কি অবস্থা।”
আর্মির মধ্যে উঠতে জানে না অলরেডি। এগুলা আমি দিশাতে যাচ্ছিলাম। উনি বললেন যে, “একটা কোট ওর আজব ব্যাপার।” দোষ করলো গাজী। কোনদিন করে আর আমার কুমিল্লায় যাওয়া হয়নি। উনি কি করলেন, হঠাৎ দেখবেন না। এরপরে আমি খুব সরি, খুব হ্যাপি ফেরত চলে গেলাম।
কুমিল্লা থাকা অবস্থায় হঠাৎ একদিন ঢাকা থেকে ফোন আসলো। ইয়েস, তেরোজন মানে অবস্থা। আরকি আরবিতে গিয়ে বাদ দাও হইতে ইংলিশে আলী। ৫ মিনিট জন অফিসারকে অ্যান্ড্রয়েড করা হইছে। আর প্রথম যে ৭ জন অফিসার, নিজ বাড়িতে কেউ নাই। পৃথিবীর সব অনলাইন। একটা চিরতরে কোনো কারণ ধর্ষণ ও বেঁচে রেখে।
আপনি প্রাইভেসিতে বললেন, “টাইটেল টু।” চা ক্লিয়ার, পদ্মা সেতু ষড়যন্ত্রের ক্লিপ। হ্যাঁ, তো প্রিয়াঙ্কা চোপড়া। আমি আমার নাম প্রথম, তারপরে নূর, বাকি ৫ জন। তোর নূর, আমি।
এই ঘটনা যখন ঘটে, খবরটা আমি ঢাকা থেকে পাই রাত্রে বেলায়। সেদিন আমার বাড়িতে একটা পার্টি ছিল কুমিল্লা। আমি আমার স্কুলে পড়াশোনা করছি। স্কুলের টিচারদের আর স্বেচ্ছায় কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলাম। ওই কলেজের সমস্ত কিছু বলতে গেলে কিছু পোস্টার দে। আমি বাড়িতে একটা ডাব করছিলাম। ওপারে চলছিল।
তখন হঠাৎ নূর আমাকে ফোন করে ঢাকা থেকে জানায়। এডি কিন্তু রিয়া রহমান। খবরটা আকিব বিগত কমলায়। নাগিন হুজুরের কাছে নাগিন হুজুররা আমাকে খুব ভালোবাসতো। যুদ্ধের সময় আমরা একসাথে ছিলাম। কয়েকটা অপারেশনও করছি আমি ওনার কাছ থেকে।
থাইকা দূরে যেয়ে ফাইন নাই। উনি আগের মত সংক্রান্ত কেড়েছেন। উনি একজন আছেন ছিলেন। যাইহোক, একটু কাকির শখ। উনি এই ব্যাপারে এই ব্যাপারটাকে মাইনা নিতে পারে।
এর পরের দিন উনি আমাকে নিয়ে বললেন যে, “আমি যাচ্ছি ঢাকায়।” ঢাকায় যে আসায় আসলাম। তো যাওয়ার সময় গেলাম শেখ মুজিবুর বাড়ি। এটা কি নানু? তুই একটুই কেন? তুই তোর আর্মি মহিন সিস্টেম। যেই আর্মিতে আমাদের।
আমরা কোন কিছুর লোভে আর্মিকে যা কিছু করি না। না পয়সার লোভে, না পরবর্তী লোভে। আমরা শুধু আমাদের দেশের ফেসবুক করা স্বার্থে আর নিজেদের আত্মসম্মান বজায় রাখার জন্য আমরা এই রূপ ধারণ করি। যেখানে আমাদের ইউনিফর্মের কোনো মূল্য নাই। আমি সেই আর্মি তাকে।
যদি আপনি আমার অনেক কাছের লোক। আপনার জন্য তবে আপনার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা থাকবে। এদের যদি আপনি চাকরি থেকে বাদ দেন, আমি সেই জায়গায় চাকরি করতাম না।
এই তোরা খালি তোর দিক দিয়া দেখো। আমার দিকটা কেউ দেখেনা। তখন উনি বলে যে, তো আমরা বেরিয়ে আসছিলাম। তখন জানাই। তখন উনি আমাকে বলল যে, “ডালিম, তুই একটু থাম।”
বুঝ, তুই একটু বাইরে যা। সোজা বাইরে গেলে আমার বলে যে তুই আর নূর আমার সাথে রাখবি। বাসায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। তো গেলাম মুজিবরের। আমরা প্রথম যাইতে চাই না। কেন যাবো ওখানে সেইজন্য যাই হোক। আবার রিমাইন্ডার আসলো মুজিবের তরফ থেকে। তখন তো আর মানা করা যাবে না।
যাওয়ার পর রেহানার চাটা দিয়ে গেলো। আমি, নূর আর শেখ। তো আমরা চাটা খাইলাম। কি করে বলি দেখো, বাবা তোরা শুধু তোদের চারটে দেখাস। আমার চারটে দেখা। আমার তো পার্টি নিয়েও চলতে হয়। আমি তো একজন রাজনীতি। পানি বাদ দিয়ে তখন চলতে হইবে। নাহ, আমি।
আমার তো কোনো রাজ্যে নেই। মোটা পাটি কেনো চালায়? চালাইতে হয় কিভাবে চলবে সেটা এসমস্ত ব্যাপারে আমাদের কোনো জ্ঞানই নাই। আপনার জ্ঞান আছে। আপনি কেনো আপনার কাছে রাখেন? আমাদের কেনো এই? উনি বলে যে, না না, এখন তোরা তোদের জন্য আমি কি করতে পারি। তোরা যদি বিদেশে থাকতে চাস, আমি তোদের জন্য পাঠাইতে পারি যেখানে যাবে ইচ্ছা।
তোরা যদি ব্যবসা করতে চাস, তাহলে শেখ নাথ খানে পার্টনার হয়ে ব্যবসা। মানে তার ছোট ভাইয়ের সাথে পার্টনারের ব্যবসা করা। আমরা, আমাদের চাচা। আপনি। আপনে ভালো বোনও করছেন। আপনে আমাদের চাকরি কিছু করতো। আল্লাহ আল্লাহ খায় তো আল্লাহ। খাওয়া-পড়ার জন্য।
আপনার ভাইয়ের সাথে মিলায় ব্যবসা করতে হবে না আমাদের। আমরা ওই রকম পরিবার থেকে আসতে নেই দুজনেই। এটা আল্লাহতালাই দিবে। মালিক আল্লাহ। রিজিকের মালিক আল্লাহ। আর দ্বিতীয় কথা, বিদেশে চাকরি দেওয়া সেটা সম্ভব না। আপনি সরকারের আন্ডারে। আমরা যে আর চাকরি করতে পারবো না।
কোন ব্যাপার। যদি পারেন, ইউনিফর্ম ফিরা যাই। তাহলে আবার আমরা চাকরি হবে। কিন্তু যাওয়ার আগে একটা কথা বলে দিচ্ছি। এই যে আপনার পার্টি পার্টি করতেছেন না, যারা আপনার কানে মধু ডালে। সব সময় যে, বাংলাদেশ মানে মুজিবর রহমান। বাংলাদেশের জনগণ মুজিবকে ভালোবাসে। মুজিব তাদেরকে ভালোবাসেন।
আবার একইসাথে আপনাদের ধারণ ১ টিকা। গণভবনে দেওয়ালে যে বুঝি বলে, “কম্বল তোরা গাধী। এতগুলি কম্বল আইলো। আমার কম্বলটা কই? এটাও তো মানুষ কইরে বাইরে পাঠাইছে। হারামজাদা!” এদের নিয়ে আপনি রাজনীতি করতে পারেন।
আবার টিকা দেখা যায় মুরগির মাথায়। গোবর বুদ্ধি বলে কিছু নাই। আপনি আবার প্রোফাইল দিয়ে দেখান। এই কথা জানলো কিভাবে জনগণ? তখন আবার প্রোফাইল কয়, এইগুলি মুখোমুখি হবে। এইগুলা জানলে মুখোমুখি হবে।
এই যে দাদার দল আপনারে গিলে রাখছে। আপনি জানেন না। আপনি আজকে কমিটি ওয়ানের আগে যে মুজিব আপনি ছিলেন, সেই মুজিব আপনি আপনি না। আপনি কি জনগণ কত জনই ঘৃণা করে। আপনি যদি জনগণের মৃত্যুতে কত দূরে চলে গেছেন।
আমরা মাঠের ময়দানে কাজ করি। আমরা জানি। দিন ১ দিন আসবে তোকে। আগে হোক, পরেও। দিন একদিন আসবে যেদিন, যখন গুলির বৃষ্টি শুরু হবে। সেই গুলিগুলো সব আপনি নিজেই ধারণ করতে হবে। আপনার চারিপাশে একজন লোককেও খুঁজেবে। রাকিব হোসেন।
দেখো, একচুয়ালি সে কাজটা কিন্তু তখন খুবই ছোট। তার সাথে তেমন একটা ইন্টারেস্টিং ছিল না। বিয়া হয়ে গেছে বাজারের সাথে। কিন্তু আমি দেখতাম যে প্রত্যেক দিন রাত্রে, এটাই আইতো।
অথবা, আমি এ ব্যাপারে তেমন কিছু বলতে পারবো না। তবে এটা হিসাবে বলতে পারবো। হ্যাঁ, আমি এটাই বলছি যে এখনকার হাসিনার কথা বলছি। স্যার, এখনকার হাসিনার ওয়াজ ফার্মের বিশাল এবং রক্তদান করছিল। দেন আর পাঁদন। এটা বলতে হবে না মুজিব। সেটাকে ১৬ বছরে পাকাপোক্ত করতে ভারতের সাহায্যে হাগদা এবং সে তার চেয়েও বেশি বাংলাদেশের ক্ষতি করছে। বাংলাদেশের উপরে মার্চ থেকে গুম করছে। আড়া ঘর, সেই ঘর ফাল। এই সমস্ত।
অতএব, তার কীর্তিকলাপ মুজিবের তুলনায় হাজার গুণে। স্যার, মেজর জনি, আপনারা মেজর জলিলকে গ্রেপ্তার করেছিলেন কেন? আপনারা কে নিজের জনিলকে কেন গ্রেপ্তার করতে হলো? সে আমাদের একজন। ওনাকে বন্দি করছিলেন যে মূল কারণ ছিলো। ওই ভারত যে ১৬০০০ কোটি টাকার জিনিসপত্র চুরি করে লুট করে নিয়ে গেছিল বাংলাদেশ থেকে। যেটা পারমিশন নিয়েছিলো বুঝি সরকার। মানে, তার জন্য সরকারের নির্দেশ। সরকার তার বিরুদ্ধে হিউজ দিবেন। হুশ পোকা।
আমি একটা জিনিস গঙ্গারিয়া কোনো ট্রেন্ড দিতে দিতে পারবো না। সিজদাকে আইসেই পড়ছিলো। পরিবেশী মুক্তিযোদ্ধাদের আমাদের চাপে ছাড়িয়ে দিতে লাগতো। জহির রায়হানের বিষয়টা কি ছিল স্যার? দেখো আবে, আমার তো আর্মিতে চাকরি করতাম তো। বাইরে কি ঘুরতে টুচে, তবে কিছু জানতাম। সম্পূর্ণ মনে হচ্ছিল। আমি তোমাকে বলবো। যুদ্ধের সময় শেষ পর্যায়ে, একবার দ্বিতীয় ধোন কোলকাতাতে রিলিজ করতে ভিজিট করার সময়।
ফর এজে ফর ইউ মিনিস্টার খন্দকার মুস্তাক আর ওনারে ০১:০৪ চক্করের বন্ধনে সাফল্য অনিষ্ট। সেইখানে আমি অভ্যুত্থা। আমার অনেক যুবতী ছিল। মাহবুব ছিল। তৌফিক ভাই। ঠিক আছে, আমরা যাত্রাপাখি। তখন কথাবার্তা বলছিলাম যে ৯০ স্বাধীন বাংলাদেশকে কিভাবে গড়ে তোলা যাবে। আর জিপি ধর। ঘুরে ঘুরে প্রত্যেক গ্রুপের কাছে গিয়ে শুনছি যে কি কথাবার্তা হচ্ছে। একসময় আমরা যখন কথাবার্তা সে লিপ্ত। দীপিধারা আমাদের কাছে আসলে।
আচ্ছা, তখন আমরা জিজ্ঞেস করছি যে বাংলাদেশি ইকোনোমি কেমন হবে। ইকনোমিক পলিথিন এ হবে পৃথ্বী। ক্ষেতে কি হবে? পলিথিনের ক্ষেত্রে কি হবে? এই সমস্ত। মূর্খের থেকে কি এইভাবে রিভিল করা হবে? তখন জিপিএস ধরা পড়া। আমাদেরকে আমরা নোটিফিকেশনে এসে দাঁড়িয়েছে। আমাদের একটু একটু করে দেখাও। তো, এ কথার সাথে যদি তুমি একটু রিলেট করার চেষ্টা করো, তাহলে রুহির রহমান। যেহেতু উনি একটা মুভি বানাচ্ছিলেন।
অপকৃতি মানে তোলা মুক্তিযুদ্ধের উপরে। মানে আওয়ামী লীগের অপরিচিত এবং কিভাবে ভারতকে দেশ বিদেশে যাওয়ার খেলা চলছে। এই ব্যাপারে উনি এখন ভিডিও বানাচ্ছে। অতএব, কাল তাকে ডাইকা নিয়া গিয়া মারা। ওই মিরপুরে। এটার সাথে হাড্ডি তো খুঁজে পাওয়াই যায়। আর যদি ঐটা প্রমাণিত হয়, স্যার, যুদ্ধের ৩০০০০০০ মানুষ মারা গেলেও নারী সংক্রমণ হারিয়েছিল পাকিস্তানি মিলিটারিরা।
৩১০০০৭৫ জন্ম নিলো কেমনে? সেটা রিচার্জ করে আবার বৈঠকে লাগাতে। আমি তোমাকে আবার স্মরণ করার জন্য তোমাকে ছুঁচাতে বলছি। প্রদীপ যখন ইংল্যান্ড মানে লন্ডন হয়ে, ইন্ডিয়া হয়ে বাংলাদেশে আসবে। লন্ডনে উনি কয়েক ঘণ্টা। ডাক্তার বিরোধী করেছে। এগুলো সব অর্গানাইজ করেছিলো পাকিস্তান সরকার।
তখন তার সাথে দেখা করতে যায়। সে সিরাজ ভাই, বিবিসির বাংলা বিভাগের হেড, আর বাংলাদেশের মিশনের ইনচার্জ রেজাল্ট করি ফর্মেত্রী অফার, যার সাথে আমিও চাকরি করছি কিছু দিই। এই দুজন মুজিবুর রহমানের সাথে কাছে যায়, কেয়ারিং হোটেলে নিয়ে তারে। সবাই বিজেপি মানে যত বান্দা ইয়েস। তখন বুঝি, তাদেরকে জিজ্ঞেস করা এটা। আমাকে সিরাজ ভাই নিজে বলবে। সিরাজ ভাইয়ের সাথে আমার একটা ঘনিষ্ঠতাও ছিল। আমি এটাই বলছি, যখন আমি ছাত্রলীগ ছিলাম, তখনই বাংলা বিভাগের ইনচার্জ ডেভিড ক্রস আসছে।
মুজিব তখন সিরাজ ভাই আর এই রেজাল্ট কুইন সাবকে আলাদা দেখে নিয়ে জিজ্ঞেস করতেছে যে, সত্যি কি বাংলাদেশের সাধু হইছে নাকি আমারে কোথাও নিয়া মাইরা ফালায় নেন, মনোব্যত্ব করেন। তখন সে আজ ভাই। উনি কে বলবেন, স্যার, এই মুজিব ভাই। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আপনি যাইতেছেন অ্যাঁ? যে প্রাইভেসি স্যার, অ বাংলাদেশ। কিন্তু আপনি ইন্ডিয়া হয়ে যাচ্ছেন কেন? সেটা আমরা জানি আর বলতে পারবো না। এটা আপনার সিদ্ধান্ত।
তখন বলে যে, কি ক্ষয়ক্ষতি ওই তথ্য ইন্টারভিউ নিবো? তোর ক্ষয়ক্ষতি কত? ওই যে সমগ্র ৩ লক্ষর মতো, ৩০০০০৩ লক্ষরে। তারপরে শেষবার যে, পরে আমাকে বলতেন যে, আমি কোনোদিন ভাবতে পারি নাই যে মুজিব ইংরেজিতে ডিভোর্স প্রাপ্ত কথা বলবে। আমি বলতে চাই উনি বাংলাতে কথা বলবেন। দেবীর, দেবীর। তখন আপনার যে ইন্টারভিউ, সিরাজ ভাই। তখন মুজিবদের তো আর কার্তক করতে পারেনা জিনিসপত্র।
আপনাদের ইন্টারভিউ এর দোয়া। যুবদল মনে করলেন যে মুজিবরা এমন ইমোশনাল কথা বলছেন, যার জন্য তিনি ট্রাস্ট আর তার ওষুধ বিসর্জন শুরু হয়ে গেল এবং ওষুধ দেওয়া বন্ধ করতে পারতেন। তখন তারা বলে দেবে, আই রঙ্গিন ধাঁধার ওই। রঙ্গিন ধান্দায়। তখন দেবী দেবী তো বলল, মুজিবের ইন্টারভিউতে আমি কান্না কানতাছি না। আমার চোখ দিয়ে পানি পড়তে বাধ্য হবি। এখানে আসতে মত থাক। আমার একটা কাজ আছে। আমাকে ১ খানে আবার যেতে হবে।
আমি তো বান্ধবীকে নিয়ে ঘুরে বেড়াই, স্যার। ২ মিনিট সময় নিবো। চৌদ্দই ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবী হত্যার কান্ড অবধি বসবে। স্যার, একটু বলেন। ভাই, বুদ্ধিজীবী হতভাগা ৯। ওই তুমি যদি এই ভিপিএন এর হেডফোনটা কার? এটা কারা করেছে, স্যার? দীপুধারের কথাটা যদি শুনে থাকো ভালোভাবে আত্মহত্যা যদি শুনে থাকে, তাহলে শুধু তো পরিষ্কারই নীড় থাকে। তারাই সবকিছু করে দেবে। আমাদের কাজের দরকার নাই।
তুই এটা কার খাটছে? পাকিস্তানি হয়ে ওদের মাইরা কি করবি? ওরা কি পাকিস্তানে আইসা তাদের ফেসবুক করবে না? তাদেরকে, এদেরকে মারার পর একটা মেধা শুন্য বাংলাদেশকে তারা বলবে। সিরিয়াসলি দেখাই মানে। এর ব্যাপারে এর ব্যাপার। আর এই যে সিরাজ তো সিরাজ। এই যে এইরকম। রকেট সাইজের দরকার হয় না। মনে হয় র্যাব, স্যার। এই যে ২০০০০০ মা বোনের ইজ্জত পাকিস্তানিরা নষ্ট করেছে। এই যে বলা হয়, আপনারা স্বাধীনতা যুদ্ধের পরে কি পরিমাণে নারীদেরকে পেয়েছিলেন যারা এসেছিল, তাদের সম্ভ্রম নষ্ট করা হয়েছে।
দেখুনঃ পাকিস্তানিরা কেন শেখ মুজিবের চেয়ে তাজউদ্দীনকে বেশী ভয় পেতো Most Important Secrets
আমি তো মাত্র ২ জন নারী হইছি। আর কি বলবো? আমরা তো দেখিনি। আমরা তো সারা বাংলাদেশেই। আমি তো দেখে নিই হবে না। কারণ তাদের ইচ্ছাতে আমি কেন বলবো? আমি তাদেরকে রোস্ট করলাম। আমি দুজন নাই এবং তাদেরকে আমরা সাহায্য করব যতদূর সম্ভব। আর স্যার, সব শেষ কোশ্চেন হচ্ছে সিরা সিকদারকে স্যার কেন মারা হলো? এটা বলে আমি আপনাকে আজকের মত বিদায় দেবো। স্যার, রাখা।
সিরা সিকদার ওয়াজে জেনুইনলি প্রাথমিক এবং শুরু। তার জন্য তাকে জীবন দিতে হচ্ছে এবং তাকে ধরতে। যে গেয়েছিল ইয়েস চৌধুরী অ্যানিমেশনাল। আইজি অফ স্পেশাল গান। ইয়ে চৌধুরী তার শালাকে পেনিস্টিং করতে দিলো ওর মাধ্যমে। এই ইঙ্গিতটা আমাকে মাহবুব আগেই দিচ্ছিলো। আমি ইঙ্গিতটা পৌঁছে যেতে হবে সেটা নিয়ে গেছে। বাট স্যার, মাঝখানে একটু বোধহয় অসুস্থ যাচ্ছে।
আপনার শরীর এর আগের ২-৩ বছর আগেও আপনার মাসএল মেসেল একদম থ্রি সিক্স প্যাক টেক ছিল। শরীর কেমন স্যার? আপনার আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয়নি। আলহামদুলিল্লাহ। দেখো, তোমার সাথে কথা বলতেছি। তুমি আমারে দেখতাছ, সবাই দেখতাছ। নিম নিমি ভাবি কেমন আছে? আমাদের সবার প্রিয় ভাবী। উনিই বেঁচে নাই। ওনাকে আল্লাহ নিয়েইগা। উনি নাই। ও আচ্ছা, ও আচ্ছা, আচ্ছা, আচ্ছা।
এবং উনি মারা গেলেন কত বছর তাই? উনিশশো ৫ সালে মারা গেছেন। চেঁচামেচি। হ্যাঁ, কারণ সিউর। নাইনটিন, নাইনটিন, নাইনটিন। মুদ্দা খানের খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে তার পাস করতে যায় নাই। ইয়া কইও না। তো সমস্যা হইবো না। তো যখন তোমার ফোর্টি, এই যে ক্যান্সার চলে যায়, তখন আর সেই যুগে। আমি অনেক।
যাক প্রিয় দর্শক। মেজর, আমাদের প্রিয় এই জাতির সূর্য সন্তান ডালিম, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা ৫০ বছর পরে হলেও অন্তত আপনার কথা শুনতে পেরেছি। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। আজকে আমার চ্যানেলে আমি সবশেষ দেখেছি। ৮০০০০০ মানুষ একসাথে দেখছিলেন। আমার মনে হয়, এই রেকর্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনোই হবে কিনা জানি না।
শুধু ভিডিও দেখা না, বাংলাদেশের মানুষের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। উনি মাঝে একটু কথা বলেছেন যে, শেখ মুজিব উনার স্ত্রীর সাথে গাজী গোলাম মোস্তফা, যিনি কিনা শেখ মুজিবের এই লুটপাটের সহযোগী। ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন এবং রেড ক্রসের প্রেসিডেন্ট বানিয়েছিলেন একজন। খুব সৎ বিচারপতিকে সরিয়ে দিয়ে তাকে বসিয়েছেন এই চেয়ারে।
তো এই শেখ মুজিবের মুখের কথা এবং কাজের মধ্যে কতটা তফাৎ সেটা উনার একটা বক্তব্য শুনলেন। উনার স্ত্রীকে তুলে নিয়ে গেলেন। আবার ওনাকে চাকরির জন্য করেছিলেন। তো আমরা এই জিনিসগুলো ভুলে যাই। শেখ হাসিনা গত ১৫ বছরে সেই মিডিয়ার হত্যাকাণ্ড থেকে শুরু করে। আমি কালকে মিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে সেই ফুটেজগুলো দেখছিলাম।
হেফাজতের হত্যাকাণ্ড, বিভিন্ন মানুষকে ধরে নিয়ে যেয়ে হত্যা করা। মানুষকে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে। পাকিস্তান সেনাবাহিনীও তো বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর যাদেরকে আটক করেছিল এই ভাবে। আয়না ঘরের মধ্যে রাখে নাই। তো এগুলো আমরা ভুলে যাই বলে। আবার মাঝেমধ্যে এ ধরনের স্বৈরাচার আমাদের ঘাড়ে চেপে বসে।
আমার মনে হয়, আমাদের এই দাবিটা তুলে আনা উচিত যে আমরা মেজর ডালিম বিরোধ্যম। তাকে আমরা ফেরত চাই। এবং বাংলাদেশের সরকারের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। বিশেষ করে বিএনপির কাছে আমার অনুরোধ থাকবে। যে মেজর ডালিমের কাছে আমি অনেকদিন ধরেই এই অভিযোগটা শুনছিলাম যে, মেজর জিয়াউর রহমান সাহেব উনাদের প্রতি সুবিচার করেন নাই।
এবং আজকে বেগম খালেদা জিয়া আছেন, তারেক রহমান আছেন। আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে। ভারতের সাথে মিলেমিশে থাকতে চেয়ে তাদের অনুকম্পা পেয়ে ক্ষমতায় থাকবেন। এই স্বপ্ন যতবার দেখবেন, ততবারই একুশে আগস্টের মত। ততবারই দশটা কষ্ট মামলায় যেভাবে আপনাদেরকে ফাঁসানো হয়েছে, এভাবেই ফাঁসতেই থাকবেন।
আরও পড়ুনঃ সীমান্তের ওপারে আগ্রাসী ভারত – কী করবে বাংলাদেশ?
সো আপনাদের একটা পক্ষ নিতে হবে। বাংলাদেশের মানুষ এই ভারতকে কতটা ঘৃণা করে এবং পাকিস্তানকে কতটা পছন্দ করে। সেটা আজকের এই মেজর ডালিমকে নিয়ে আমার যে অনুষ্ঠান, সেটা প্রমাণ করে দিল। এবং মেজর ডালিমরা সরাসরি তো তারা শেখ মুজিবের হত্যার সাথে জড়িত। উনি সেই হত্যায় জড়িত ছিলেন কিনা, না ছিল, আমি সেই কোশ্চেন করিও না। সেটা কোনদিন করবো না।
কিন্তু সেই পক্ষের পক্ষে উনি কাজ করেছেন। এবং শেখ মুজিবের বিপক্ষে উনি ছিলেন। এবং শেখ মুজিবের ক্ষমতা যুদ্ধ করার পক্ষে উনি ছিলেন। সেই আমি মেজর ডালিম বলছি। সেই বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে আমরা প্রমাণ পেয়েছি।
আজকে এই শেখ মুজিব, এই মেজর ডালিম যদি নাকি সেই কাজটা না করতো, তাহলে বাংলাদেশ কোথায় যেত, কি হতো, সেটা আমার মনে হয় একটু চিন্তা করে তার প্রতি নাই বিচার করা উচিত। এবং সেই সম্মানটা যদি শেষ বয়সে জনাব মেজর ডালিমকে আমরা যতটা ইয়াং ম্যান হিসেবে দেখছি, উনার বয়স আশির উপরে, আপনার ৮৫ তাইনা স্যার? ৭৫, ৭৫। যাক, ৭৫ বছর বয়স, এ তো ৭৫ বছর বয়স অনেক বস, অনেক বয়স।
উনি দেখতে অনেক ইয়ং, যদিও খুবই, নিজের শরীরের প্রতি উনি খুব যত্নবান, এখনও জিম করেন নিয়মিত। তো, আমার মনে হয় যে এই মানুষটার এখনো বাংলাদেশকে দেয়ার অনেক কিছু আছে। আর যাই হোক, তারা কখনো বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করবে না। আমি তারেক রহমান এবং বেগম খালেদা জি, আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে, তার ব্যাপারে একটু সদয় হবেন।
এবং আমার বিশ্বাসে, তাকে যদি যথাযথ সম্মান দেয়া হয়, তাহলে তিনি আবারও দেশে যেয়ে এই দেশের হাল ধরবেন। যোদ্ধা, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, আপনার অনেক ব্যস্ততার মাঝে আমাদেরকে সময় দিয়েছেন। যদি জাতির উদ্দেশ্যে আর কিছু বলার থাকে…
হ্যাঁ, শেষ কথা। প্রথমত, আমি তোমাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, তোমার সাথে কথা বলার পর, আমার প্রত্যয় আরও বড় হয়েছে। তুমি ভবিষ্যতে আরো অনেক বড় কাজ দেশের জন্য করতে পারবে।
Comments ৩